আইআরজিসি বুধবার (১ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি চূড়ান্তভাবে ইরানের নিয়ন্ত্রণে। বুধবার ভোর থেকে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর ৮৯তম পর্যায়ে পাঁচটি বড় ও ব্যাপক অভিযান চালানো হয়েছে। এসব অভিযানে কাদির ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং আত্মঘাতী ড্রোন ব্যবহার করে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে।
পাশাপাশি, পারস্য উপসাগরের মধ্যাঞ্চলে ‘অ্যাকুয়া ১’ নামের একটি অবৈধ ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর তেলবাহী ট্যাংকারও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে ওই ট্যাংকারে আগুন ধরে যায়।
আইআরজিসি জানিয়েছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ছাড়া অন্যান্য দেশের জন্য হরমুজ প্রণালিতে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, হরমুজে আটকে থাকা বাংলাদেশের ছয়টি জাহাজ পার হওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরানের নিরাপত্তা কাউন্সিল।
এই পরিস্থিতি ইরানের সামরিক ক্ষমতা ও কৌশলগত অবস্থানকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে দৃঢ়ভাবে প্রমাণ করছে, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে তেলের বিশ্ববাজারে সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষমতা প্রদর্শন করছে।