নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজশাহীতে নারীমুক্তির প্রকৃত পথিকৃৎ মানবতাবাদী সমাজসেবী আজীবন আত্মত্যাগী ভাষাসৈনিক মনোয়ারা রহমান’র ১৭ তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার ( ৮ এপ্রিল) বিকাল ৪টায় রাজশাহী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জননেতা আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদ ও রাজশাহী প্রেসক্লাবের আয়োজনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
রাজশাহী প্রেসক্লাব সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক সাইদুর রহমান’র সভাপতিত্বে এবং জননেতা আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আসলাম উদ দৌলা’র সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান আলী বরজাহান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, রাজশাহী প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য আহমেদ শফি উদ্দিন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংগ্রাহক ওয়ালিউর রহমান বাবু, জননেতা আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদের সহ-সভাপতি সালাহউদ্দিন মিন্টু, দৈনিক রাজশাহীর আলো’র সম্পাদক আজিবার রহমান, বিশিষ্ট পরিবেশবিদ কাজী রকিব উদ্দিন, সিনিয়র সাংবাদিক সরকার শরিফুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক মঞ্জুয়ারা খাতুন,
উদীচী রাজশাহী জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান সোনা, কবি বাসেত হোসেন প্রামানিক, জননেতা আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদের উপদেষ্টা মাসুদ রানা সরকার, মানবাধিকার কর্মী আয়ুব আলী তালুকদার।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মটর৷ শ্রমিক নেতা আব্দুল হাকিম রাজা, সাংবাদিক শাহরিয়ার অন্তু, রাতুল সরকার, মোজাম্মেল বাবু, রুবেল সরকার, লিয়াকত হোসেন, শফিকুল আলম ইমন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, ভাষা সৈনিক মনোয়ারা রহমান ছিলেন নারী মুক্তির প্রকৃত পথিকৃৎ। তিনি ছিলেন বরেণ্য শিক্ষাবিদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জননেতা মাদার বক্স’র সুযোগ্য সন্তান এবং জননেতা আতাউর রহমান’ স্ত্রী। ভাষা সৈনিক মনোয়ারা রহমান মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে রাজশাহীর আপামর নারী-পুরুষদের উৎসাহিত করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়া নারীদের শিক্ষা-সংস্কৃতিতে এগিয়ে নিতে এবং আত্ম-কর্মসংস্থান তৈরীতে বিশেষ অবদান রাখেন। তিনি আমৃত্যু রাজশাহীর মানুষের জন্য এক “আলোকবর্তিতা” হিসেবে কাজ করে গেছেন৷ রাজশাহীর সচেতন মানুষ আজও তাঁকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।