By using this site, you agree to the Privacy Policy and Terms of Use.
Accept
বাংলাদেশ নিউজ টুডেবাংলাদেশ নিউজ টুডেবাংলাদেশ নিউজ টুডে
  • হোম
  • শীর্ষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
    • ঢাকা বিভাগ
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
    • সিলেট বিভাগ
    • রাজশাহী বিভাগ
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
    • খুলনা বিভাগ
    • বরিশাল বিভাগ
    • রংপুর বিভাগ
  • আইটি বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  • অন্যান্য
    • সম্পাদকীয়
    • আইন ও আদালত
    • চাকরির খোঁজ
    • আবহাওয়ার খবর
    • ক্যাম্পাস
    • অন্যরকম খবর
    • দুর্ঘটনা
    • কবি ও কবিতা
    • ফটোগ্যালারী
    • ট্রাভেল
    • ফ্যাশন
    • ধর্ম ও জীবন
    • প্রবাসীর খবর
    • ভাইরাল ভিডিও
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • রন্ধন শৈলী
    • লাইফ স্টাইল
    • শিক্ষাঙ্গন
    • জনমত
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • সাক্ষাৎকার
Reading: কোটি কোটি টাকা পাচার,শিরিষ কাগজে সিরিজ জালিয়াতি
Share
Notification Show More
Font ResizerAa
বাংলাদেশ নিউজ টুডেবাংলাদেশ নিউজ টুডে
Font ResizerAa
  • হোম
  • শীর্ষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
  • আইটি বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  • অন্যান্য
  • হোম
  • শীর্ষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
    • ঢাকা বিভাগ
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
    • সিলেট বিভাগ
    • রাজশাহী বিভাগ
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
    • খুলনা বিভাগ
    • বরিশাল বিভাগ
    • রংপুর বিভাগ
  • আইটি বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  • অন্যান্য
    • সম্পাদকীয়
    • আইন ও আদালত
    • চাকরির খোঁজ
    • আবহাওয়ার খবর
    • ক্যাম্পাস
    • অন্যরকম খবর
    • দুর্ঘটনা
    • কবি ও কবিতা
    • ফটোগ্যালারী
    • ট্রাভেল
    • ফ্যাশন
    • ধর্ম ও জীবন
    • প্রবাসীর খবর
    • ভাইরাল ভিডিও
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • রন্ধন শৈলী
    • লাইফ স্টাইল
    • শিক্ষাঙ্গন
    • জনমত
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • সাক্ষাৎকার
Have an existing account? Sign In
Follow US
  • Advertise
© 2022 Foxiz News Network. Ruby Design Company. All Rights Reserved.
জাতীয়রাজনীতিশীর্ষ সংবাদ

কোটি কোটি টাকা পাচার,শিরিষ কাগজে সিরিজ জালিয়াতি

নিউজ ডেস্ক
Last updated: অক্টোবর 5, 2024 4:28 পূর্বাহ্ন
নিউজ ডেস্ক 2 বছর ago
Share
SHARE

শিরিষ কাগজ আমদানি করে হাজার-হাজার কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে দেশের বাইরে পাঠানো হয়েছে। মূল দামের ১০ ভাগ কম দেখিয়ে করা হয় আমদানি। ১৩ বছরে প্রায় তিনশো’ কোটি টাকার শিরিষ কাগজ আনা হলেও যার আসল দাম অন্তত ১০ গুণ বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুর্বল রাজস্ব নীতি আর তদারকির কারণেই এমন জালিয়াতির ঘটনা ঘটছে।

বাংলাদেশ, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড ঘুরে অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে পণ্য আনার এই চক্র।

ছোট একটি পণ্য শিরিষ কাগজ। আসবাবপত্র বা বাসাবাড়ির দেয়াল মসৃণ করতে কাগজের তৈরি এই পণ্যের ব্যবহার। এটি প্রায় শতভাগই আমদানি নির্ভর। অথচ এই পণ্য আমদানিতে দশকের পর দশক ধরে হুন্ডির মাধ্যমে পাচার হচ্ছে শত শত কোটি টাকা।

শিরিষ কাগজকে আশ্রয় করে কারা কীভাবে টাকা পাচার করছে? জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য বলছে দেশে প্রতিবছর অন্তত ৩০০ কোটি টাকার শিরিষ কাগজ আমদানি করা হয়। আর, বিক্রেতারা বলছেন জার্মানি, চীন ও থাইল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে শিরিষ কাগজ বেশি আমদানি হয়। পণ্যটি দেশে আনেন ডজন খানেক আমদানিকারক। এরমধ্যে ৮টি প্রতিষ্ঠান এই পণ্যর বাজার নিয়ন্ত্রণ করে।

কতগুলো প্রতিষ্ঠান কোন কোন দেশ থেকে শিরিষ কাগজ আমদানি করছে সেই তথ্য নিশ্চিত হতে গেলো ১৩ বছরের আমদানির নথি সংগ্রহ করে একাত্তর টেলিভিশন। নথি বলছে একই জিনিস ভিন্ন ভিন্ন দামে আমদানি করছে বিভিন্ন কোম্পানি।

২০২২ সালে এ টু জেড নামের আরেকটি কোম্পানি ক্লিংস্পোরের তৈরি দুই ধরনের শিরিষ কাগজ আমদানি করে চীন থেকে। যেখানে প্রতি কেজির দাম উল্লেখ আছে ১১.২৯ ডলার। একই বছর ইউনিক কর্পোরেশন নামের দেশীয় একটি প্রতিষ্ঠান সিঙ্গাপুর থেকে একই সিরিজ কাগজ এনেছে মাত্র ১.৫ ডলার কেজি দরে।

তাহলে এ টু জেড একই প্রতিষ্ঠানের শিরিষ কেন দুই ডলার দরে পণ্যটি আনতে পারছে না? ক্লিং স্পোর একটি বহুজাতিক কোম্পানি, বাংলাদেশেও তাদের অফিস আছে। দেশের বাজারে ৬০ শতাংশই এই কোম্পানিন দখলে। প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশের প্রধান ক্যামেরার সামনে কথা বলতে চাননি।

তবে মুঠোফোনে কান্ট্রি ম্যানেজার, ক্লিং স্পোরের কান্ট্রি ম্যানেজার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, বাংলাদেশের ডিস্ট্রিবিউটরের সহযোগী হিসেবে কাজ করেন তারা। কতটাকা মূল্যে বাংলাদেশে এই পণ্য আসে, কীভাবে আসে তার কিছুই জানেন না তিনি।

ক্লিং স্পোর নামের প্রতিষ্ঠানটি আসলে কতো টাকা দরে এটি বিক্রি করে? তা জানতে, এই প্রতিবেদক নিজেকে আমদানিকারক পরিচয়ে তাদের সাথে যোগাযোগ করে। মূল্য তালিকা পাঠায় ক্লিং স্পোর। যেখানে ১০০ পিস শিরিষ কাগজের দাম ২৭ সিঙ্গাপুরি ডলার উল্লেখ করা হয়। প্রতি কেজির দাম পরে ৮.৪৪ আমেরিকান ডলার।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে তথ্য বলছে,অন্তত ৮ টি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে শিরিষ কাগজ আমদানি করে। এর মধ্যে ৫টি প্রতিষ্ঠান ২ ডলারের নিচে প্রতি কেজি শিরিষ কিনেছে।

আসলে কীভাবে তা সম্ভব হচ্ছে, সেটি জানতে একাত্তর টিভি চট্রগ্রামের আরব ইলেকট্রনিক্স কোম্পানিতে যায়। প্রতিষ্ঠানটি থাইল্যান্ডের টোয়া ব্রান্ডের শিরিষ কাগজের আমদানি করে। সরকারি নথিতে থাকা ঠিকানায় গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কোনো অস্তিত্ব মেলেনি। যা মিলেছে তা হলো ছোট একটি ইলেকট্রনিক্স পণ্যের দোকান।

সেখান থেকে পাওয়া তথ্যমতে ‘কাদের টাওয়ারে’ তন্ন তন্ন করে খুঁজেও আরব ইলেক্সট্রনিক্সের অস্তিত্ব মেলেনি। ভবন কর্তৃপক্ষ জানায় চার তলায় প্রতিষ্ঠানটির অফিস। সেখানে কথা হয় বিপণন কর্মকর্তা জসিম উদ্দীন। তিনি সিরিজ কাগজ আমদানি ও বিপণনের বিষয়ে বেশি কিছু বলতে রাজি নন।

প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের বিক্রিমূল্য এবং আমদানি মূল্যের এমন পার্থক্যের কারণ নিয়েও কিছু বলতে পারেননি এই কর্মকর্তা। তবে প্রতিষ্ঠানটির মালিক আজিজ একবার বলেন, আরব ইলেকট্রনিক্স তার নয়, আরেক বার বলেন বন্ধ হয়ে গেছে।

তথ্য বলছে আরব ইলেকট্রনিক্স ২০১২ সালে থাইল্যান্ড থেকে ক্যাপ্টেন ব্রান্ডের শিরিষ কাগজ আমদানি করেছে ৪.২২ ডলার দরে। কিন্তু ১০ বছর পর সেই পণ্য দেড় ডলার হলো কীভাবে?

দেশে সবচেয়ে বেশি শিরিষ কাগজ আমদানি করে ইউনিক কর্পোরেশন। তারা সিঙ্গাপুরের ক্লিংস্পোর থেকে আমদানি করে । ওই দেশের ডুশি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির মাধ্যমে এটি বাংলাদেশে আনা হয়। তাদের ১২ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি কখনোই ২.৫ ডলারের বেশিতে এই পণ্য কেনেনি। যদিও এই সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যটির দাম বেড়েছে পাঁচ বার। যা ১০ থেকে ১৫ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করেছে।

তাহলে কোন মন্ত্রে কমপক্ষে পাঁচ ভাগের এক ভাগ দামে পণ্য কিনছে ইউনিক? ইনাইটেড কর্পোরেশন, কেএলএস লজিস্টিকস এবং ক্যাপিটাল কর্পোরেশন নামের আরও তিনটি প্রতিষ্ঠানও একই পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় পাঁচ ভাগ কম দামে আমদানি করে।

এই প্রতিষ্ঠানগুলোর খোঁজ নিতে গিয়ে দেখা যায়, ইউনিক কর্পোরেশনের মালিক আসাদুজ্জামানের স্ত্রী সালেহা আশরাফ ওই তিন প্রতিষ্ঠানের মালিক। যা ইন্টারকোটিং নামে এই অফিস থেকেই পরিচালিত হয়। টানা এক মাস চেষ্টা করার পরও আসাদুজ্জামান ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি।

গেলো এপ্রিল মাসে ইউনিক কর্পোরেশন ও কেএলএস লজেস্টিক আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংকের ধানমন্ডি শাখার মাধ্যমে সিঙ্গাপুরের  ডুশি প্রাইভেট লিমিটেডে এল সি’র টাকা পরিশোধ করে।

এলসির তথ্য বলছে ২.৫ ডলার দরে প্রায় ৪ টন পণ্য শিরিষ কাগজ আমদানি করা হয়েছে। এজন্য পরিশোধ  করা হয়েছে ৮৫ হাজার ৫০০ ডলার। চীন ও সিঙ্গাপুর থেকে এই পণ্য আমদানি হয়েছে। আর, রপ্তানিকারক সেই ডুশি প্রাইভেট লিমিটেড। আন্তর্জাতিক বাজারে যার প্রকৃত মূল্য ৩ লাখ ৩০ হাজার ডলারের বেশি।

আমদানি তথ্য বলছে,২০২২ সালে ১৫ টন শিরিষ কাগজ আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ৩৪ লাখ ডলার। ২০২৩ সালে ৩৬ টন পণ্য আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ১৫ লাখ ডলার।

পণ্যটির আসল দাম তাহলে কতো? সিঙ্গাপুরের রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ডুশি প্রাইভেট লিমিটেডের সাথে যোগাযোগ করি আমরা। কারণ, তাদের মাধ্যমেই আন্তর্জাতিক বাজারের অবিশ্বাস্য রকম কম দামে পণ্যটি বাংলাদেশে আসছে। বার বার মেইল করেও ডুশি প্রাইভেট লিমিটেডের কোন সাড়া মেলেনি।

কীভাবে এতো কম দামে পণ্যটি আমদানি হচ্ছে সেই তথ্য জানতে এবার একাত্তর টেলিভিশনের অনুসন্ধানী দল হাজির হয় সিঙ্গাপুরে ডুশি প্রাইভেট কোম্পানির মূল ঠিকানায়। সিঙ্গাপুরের সেসিল স্ট্রিটের জিবি ভবনে ডুশি প্রাইভেট কোম্পানির অফিস। কিন্তু ভবনটিতে এই নামের কোনো প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্বই নেই। ভবন কর্তৃপক্ষ বলছে এই নামে কোন প্রতিষ্ঠান এখানে কখনও ছিলো না।

ডুশি প্রাইভেট কোম্পানির মালিক ডেনিয়েল সানি লিম। সিঙ্গাপুরে এমন আরো একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন ডেনিয়েল। যার নাম কেইম্যান ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড। সিঙ্গাপুরের মেরিনা স্কয়ারের তৃতীয় তলায় এটির ঠিকানা। কিন্তু মেরিনা স্কয়ারের মার্কেটেও সেই কেইম্যানের কোন তথ্য নেই।

এমনকি কেউই বলতেও পারছে না, দিতে পারছে না প্রতিষ্ঠানের অবস্থান কিংবা মালিকের কোন ঠিকানা। তবে মার্কেটের তথ্য কেন্দ্রে তিন দফা খোঁজ নেবার পর একটি ইঙ্গিত পাওয়া গেলো।

জাস্ট-গো একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের অফিস। যেখানে এমন অনেক প্রতিষ্ঠান কাজ করে। তবে সেখানেও ডেনিয়েলকে পাওয়া গেলো না। তবে পাওয়া গেলো তার ব্যাবসায়িক পার্টনার সায়মনকে। ডেনিয়েলের শিরিষ কাগজের ব্যাবসা আছে এমন তথ্য জেনে অবাক হলেন তিনি।

অবশেষে একজন ক্রেতার পরিচয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কথা হয় ডেনিয়ালের সাথে। স্বীকার করে নিলেন তার প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে শিরিষ কাগজ রপ্তানি করছে। কিন্তু কীভাবে এতো কমদামে পণ্যটি তিনি বাংলাদেশে বিক্রি করছেন, এমন প্রশ্নের কোন উত্তরই মেলেনি। এবার সাংবাদিক পরিচয় জানার পর যোগাযোগ বন্ধ করে গা ঢাকা দিলেন ড্যানিয়েল।

ক্নিংস্পোরের ঠিকানা সিঙ্গাপুরের তুসা এভিনিউ। সেখানে গিয়ে একটি গোডাউনের দেখা মিলেছে। কোনো কর্মচারী বা কর্মকর্তার দেখা মেলেনি। সিঙ্গাপুরে ক্লিংস্পোর কোম্পানির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও লাভ হয়নি। কোম্পানিটির দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান ও সাবেক তিন প্রধানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোন সাড়া মেলেনি।

প্রতিষ্ঠানটি সরাসরি নিজেরা তাদের পণ্য রপ্তানি না করে, কেন একটি অফশোর কোম্পানির মাধ্যমে বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানি করছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছে একাত্তর টিভির এই প্রতিবেদক।

শিরিষ কাগজ আমদানিতে ৪৬ শতাংশ শুল্ক দিতে হয়। অর্থাৎ, ১০০ টাকার পণ্য ৪৬ টাকা শুল্ক দিতে হবে। এখানে এক কেজি পণ্য আনতে ১০ ডলার পরলে তার জন্য শুল্ক দিতে হবে ৪.৬০ ডলার। আর এই পণ্যের দাম যখন দুই ডলার দেখানো হয় তখন যুক্ত হচ্ছে ৯২ পয়সা।

সেই হিসেবে কম দাম দেখিয়ে পণ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর খরচ হচ্ছে ১০.৯২ ডলার। আর বাজার মূল্য দেখালে খরচ পরে ১৪.৬০ ডলার। অর্থাৎ প্রতি কেজিতে ৩.৬৮ ডলার লাভ করে প্রতিষ্ঠানগুলো। মূলত এই এ কারণে যুগযুগ ধরে শিরিষ কাগক আমদানিতে কম মূল্য দেখানো হয়।

একাত্তরের অনুসন্ধান বলছে দেশের আটটি প্রতিষ্ঠান আন্ডার ইনভয়েস বা কম দাম দেখিয়ে শিরিষ কাগজ আমদানি করছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ইউনিক কর্পোরেশন। দেশের ৬০ ভাগ বাজার এই প্রতিষ্ঠানটির দখলে। অনুসন্ধান বলছে, গেল ১২ বছরে এই প্রতিষ্ঠানটি আন্ডার ইনভয়েসিং এর মাধ্যমে অন্তত ১০০ কোটি ডলারের পণ্যের আমদানি করেছে। যা থেকে অন্তত ৩৭ কোটি ডলার রাজস্ব হারিয়েছে সরকার।

আবার তাদের মালিকানায় থাকা আরো তিনটি প্রতিষ্ঠান একইভাবে আন্ডার ইনভয়েসিং এর মাধ্যমে পণ্য আনছে। আন্ডার ইনভয়েসিং এর মাধ্যমে পণ্য আনলেও আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য ঠিকই পরিশোধ করতে হয়। সেই টাকা তাহলে কীভাবে পরিশোধ হয়? তা জানতে এবারের যাত্রা থাইল্যান্ডের ব্যাংককে।

ব্যাংকক ব্যাংক একটি পাবলিক কোম্পানি লিমিটেড। এই ব্যাংকে তোয়াসিম কোম্পানির একটি অ্যাকাউন্টে দুবাইয়ের বিভিন্ন মানি এক্সচেঞ্জ থেকে টাকা পাঠানো হয়েছে। তোয়াসিম কোম্পানিই মূলত ক্যাপ্টেন ব্রান্ডের শিরিষ কাগজ তৈরি করে। একাত্তরের হাতে থাকা লেনদেনের কাগজের সত্যতাও নিশ্চিত করলেন ব্যাংকক ব্যাংকের এক কর্মকর্তা।

দুবাইয়ের যে সব প্রতিষ্ঠান টাকা পাঠিয়েছে তার মধ্যে কাপড়ের দোকান, মোবাইল ও যন্ত্রাংশের দোকান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকের বাড়ি চট্রগ্রামের বিভিন্ন এলাকায়। ক্যাপ্টেন ব্রান্ডের শিরিষ কাগজের আমদানিকারক আরব ইলেকট্রনিক্সও সেই চট্রগ্রামের। যদিও আরব ইলেকট্রনিক্সের মালিক এখন দুবাই থেকে যাওয়া টাকার তথ্যটি আর মনে করতে পারছেন না।

শুধু তাই নয় কর্তৃপক্ষকে ফাঁকি দিতে অনেক ক্ষেত্রে দুই ধরনের এলসি’র কাগজ তৈরি করা হয় বলেও জানান সিপিডির সম্মানীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান। অন্যদিকে, যারাই এমন অনিয়মের সাথে জড়িত তাদেরকে বিচারের আওতায় আনা হবে বলে জানান জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান।

সিঙ্গাপুর থাইল্যান্ড ঢাকা ও চট্টগ্রাম ঘুরে মাত্র ছোট্ট একটি পণ্যের এমন বড় ক্ষত তুলে ধরা হয়েছে। এমন আন্ডার ইনভয়েসিং এর মাধ্যমে দেশের টাকা যেমন বিদেশে পাচার হচ্ছে তেমনি রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। সরকারের নজরদারি আর লোকচক্ষুর আড়ালে এমন অসংখ্য পণ্যের বেলায় একই ঘটনা ঘটছে। যা রাজস্ব কর্মকর্তাদেরও জানা। কিন্তু অদৃশ্য বোঝাপড়ায় এমন ঘটনা ঘটছে দশকের পর দশক ধরে। সূত্র : ৭১ টিভি

You Might Also Like

দিনাজপুর সীমান্তে নতুন ‘মৌচোষা’ বিওপি উদ্বোধন, জোরদার হলো সীমান্ত নিরাপত্তা

তিন দেশ সফরে ঢাকা ছাড়লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক জোরদারে নতুন উদ্যোগ, তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

সংস্কৃতি-সম্পর্ক জোরদারে বাংলাদেশ–ইতালি: মন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

TAGGED:টাকা পাচার
Share This Article
Facebook Twitter Email Print
Previous Article ঢাকা ছাড়লেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
Next Article অবসর নিতে যাচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ!
Leave a comment

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

বাংলাদেশ নিউজ টুডেবাংলাদেশ নিউজ টুডে
Follow US
© ২০২৫ , বাংলাদেশ নিউজ টুডে।
  • হোম
  • শীর্ষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
  • আইটি বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  • অন্যান্য
Welcome Back!

Sign in to your account

Lost your password?