অনেকবারই স্বপ্ন দেখিয়ে হতাশ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকার পুরুষ দল। এবার প্রোটিয়া নারী দলের সামনেও বিশ্বকাপ জয়ের সুযোগ এসেছিল। তবে সেই সুযোগ লুফে নিতে পারেনি তারা। প্রোটিয়া নারীদের ৩২ রানে হারিয়ে প্রথমবার শিরোপা উল্লাস করল নিউজিল্যান্ড।
রবিবার (২০ অক্টোবর) নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রান করে নিউজিল্যান্ড নারী দল। জবাবে ১২৬ রানেই গুটিয়ে যায় প্রোটিয়ারা।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে দুর্দান্ত শুরু করেছিলেন লাউরা উলভার্ট এবং তেজমিন ব্রিটস। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি তেজমিন। ১৮ বলে ১৭ রানে সাজঘরে ফেরেন তিনি।
এরপর ২৭ বলে ৩৩ রান করে উলভার্ট ফিরলে ছন্দ হারায় প্রোটিয়ারা। এরপর ব্যাট হাতে নেমে অ্যানেকে বোশ-ও আলো ছড়াতে পারেননি। ১৩ বলে ৯ রান করেন তিনি।
এরপর দুই অঙ্কের কোটা পেরোনোর আগেই মারিজান ক্যাপ (৮) ও নাদিন ডি ক্লার্ক (৬) ফিরলে দলীয় ৭৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে প্রোটিয়ারা।
এরপর সুনে লুস ৮, ডারকসেন ১০, ক্লো ট্রায়ন ১৪ এবং সিনালো জাফতার ৬ রান শিরোপা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। শেষপর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৬ রানে থামে প্রোটিয়াদের ইনিংস। ফলে ৩২ রানের জয় পায় নিউজিল্যান্ড।
কিউইদের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট শিকার করেন অ্যামেলিয়া কের এবং রোজমেরি মেয়ার। এ ছাড়া ইডেন কারসন, ফ্রান জোনাস এবং ব্রুক হ্যালিডে একটি করে উইকেট নেন।
এর আগে, টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১৬ রানে জর্জিয়াকে হারায় নিউজিল্যান্ড। তবে রানের চাকা সচল রাখেন সুজি বেইটস এবং অ্যামেলিয়া কর। তাদের ব্যাটে ভর করে পাওয়ারপ্লেতে ৪৩ রান তোলে নিউজিল্যান্ড।
পাওয়ার প্লে’র পর ৩১ বলে ৩২ রান করে প্রোটিয়াদের দ্বিতীয় শিকার হন সুজি। এরপর দলের অন্যতম আস্থার নাম সোফি ডিভাইন-ও ফাইনালে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ১০ বলে ৬ রানে ডি ক্লার্কের বলে এলবিডব্লিউ হন তিনি।
চতুর্থ উইকেট জুটিতে দারুণ ব্যাটিং করেন হালিডে এবং অ্যামেলিয়া। দলকে বড় সংগ্রহের ভিতও গড়ে দেন তারা। তবে ২৯ বলে ৩৮ রান করে ফেরেন হালিডে। অন্যপ্রান্তে ফিফটি থেকে ৭ রান দূরে থাকতে ফেরেন অ্যামেলিয়া কর। শেষদিকে ম্যাডি গ্রিণের ৬ বলে ১২ রানের ক্যামিওতে ১৫৮ রানে থামে নিউজিল্যান্ড।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ২ উইকেট নেন ম্লাবা। এ ছাড়া একটি করে উইকেট নেন খাকা, ক্লোয়ে ট্রায়ন এবং ডি ক্লার্ক।