বরিশাল অফিসঃ
বরিশাল নগরীতে ডিবি পুলিশের পৃথক পৃথক অভিযানে ২ কেজি ৯৫০ গ্রাম গাঁজা ১০২ পিস ইয়াবাসহ চিহ্নিত তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।
আজ (১৪ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করে বিএমপি মিডিয়া সেল।
বরিশাল মেট্রোপলিটন ডিবি (গোয়েন্দা) পুলিশের পরিদর্শক ছগির হোসেনের নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল ( ১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যা রাতে কেডিসি বালুর মাঠ বস্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন।
এসময় জুম্মান হোসেন ফরাজী ও আবু হোসেন ফরাজী’র কাছ থেকে ২ কেজি ৯৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গাঁজা বিক্রয়ের মূলহোতা শামীম ফরাজি ও রোজী বেগম পুলিশের ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন, নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড কেডিসি বালুর মাঠ বস্তি এলাকার বাসিন্দা আবু হোসেন ফরাজী’র ছেলে মোঃ জুম্মান হোসেন ফরাজী (৪৫) ও মৃত বেলায়েত শেখের ছেলে মোঃ মানিক শেখ (৫০) পলাতক আসামী মোঃ শামীম ফরাজী (৩৫) পিতা আবু হোসেন ফরাজী,রোজী বেগম (৩২), পিতা-মোঃ আয়নাল হক,মাতা-নূরনাহার, স্বামী-মোঃ শামীম ফরাজী, ১০নং ওয়ার্ড, কেডিসি, মুর্দার ঘর, ১নং গলি এলাকার বাসিন্দা।
পলাতক আসামিদের ধরিয়ে বা তথ্য দেওয়ার জন্য এলাকাবাসীর সহযোগিতা চেয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
স্থানীয়রা জানান, কেডিসি বালুর মাঠে ব্যাপক পরিমাণ প্রকাশ্যে মাদক ইয়াবা ফেনসিডিল বিক্রয়ের করা হয়। এই স্থানটি রেড অ্যালার চিহ্নিত এলাকা মাদকদ্রব্যের বিক্রয়ের অন্যতম স্পট।
তাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানাসহ একাধিক থানায় মাদকদ্রব্য আইনের মামলা চলমান আছে।
এদের এতোটাই প্রভাব যে,সাধারণ মানুষ তাদের ভয় মুখ খুলতে সাহস করে না। আ’ লীগের আমলে নিজেদের আওয়ালীগ নেতা পরিচয় মাদকদ্রব্য বিক্রি করেছে। কিন্তু গত (৫ আগষ্টের পর খোলস পালটিয়ে বিএনপি নেতা পরিচয় ও ব্যানার ফেস্টুন ছাপিয়ে পুরো ১০ নং ওয়ার্ডে মাদকদ্রব্য গাঁজা, ফেনসিডিল, ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি করে আসছে। তারা আরও বলেন, এদের গ্রেপ্তার করায় এলাকায় স্বস্তি ফিড়ে এসেছে। ডিবি পুলিশের এমন ভুমিকা রাখার জন্য তাদের সংশ্লিষ্ট টিমকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এছাড়াও নগর গোয়েন্দা কমলেশ চন্দ্র হালদারের অভিযানে ১০২ পিস ইয়াবাসহ নগরীর ৯নং ওয়ার্ডের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মোঃ অহেদ সিকদারের ছেলে আরমান সিকদারকে (১৩ নভেম্বর) লঞ্চঘাট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে