বরিশাল সদর উপজেলার থানা ধীন চরকাউয়া ইউনিয়নের চরআইচা গ্রামের ৬ নং ওয়ার্ডে ঘটনা বর্ণনা করে মামলা দায়ের শিপন হাওলাদার পিতা মৃত আব্দুল খালেক হাওলাদার। চাঁদাবাজির ঘটনা দেখানো হয় ১৬/১০/২০২৪ ইংরেজি তারিখ আনুমানিক বিকাল ৫ ঘটিকায় লিখিত অভিযোগে যাদের নাম লেখা হয় তাহারা হলেন মোং ফেরদৌস লিটন, মোঃ রাসেল মাহমুদ, বশির আহমেদ শামীম, সাক্ষীদের স্থানে নাম লেখা হয় মোহাম্মদ দুলাল গাজী, মোহাম্মদ রাব্বি হাওলাদার, রিপন হাওলাদার,ও নাসরিন বেগম, যাহার মামলা নং ৭ বিবাদী ফেরদৌস লিটনের মতামত ও ভিডিওতে দেখা যায় ঘটনার স্থান নিজ বাড়িতে বসত ঘরে শিপনের মাতা ও অন্যান্য লোকজনের সামনে জমি বিক্রয়ের লাভের অংশের টাকা নিয়া আলোচনা করেন ফেরদৌস লিটন,বাদীর ভাই রিপন হাওলাদার সাথে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করলে সমাধানের জন্য দেন শলিশের দিন তারিখ, কিন্তু বাদী শিপন হাওলাদার জমি বিক্রয়ের লাভের টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেন। উদ্দেশ্যে করে মামলার নাটক সাজান পুলিশকে বোকা বানিয়ে, ১৬, ১০, ২০ ২৪, তারিখ সাধারণ ডায়েরি করেন বন্দর থানায়, ঐদিন সন্ধ্যায় রওনা ঢাকার উদ্দেশ্যে, কিন্তু ঘটনাক্রমে শিপনের মুখোমুখি হন লিটন, শিপনের উদ্দেশ্য করে বলেন কালতো সালিশি হওয়ার কথা, এখন তুমি কোথাও যাও শিপন বলেন ঢাকার উদ্দেশ্যে যাই, ফেরদৌস লিটন বলেন সমাধান করে তুমি যেখানে যাওয়ার যাও শালীশী গনকে বলা হয়েছে, এই বলে চাঁদমারি খেয়াঘাটে পারাপারের ট্রলারে শিপনকে উঠিয়ে দেন, ট্রলারে ওঠে শিপন হাওলাদার ৯৯৯ এ কল করেন, জবাবে বলেন আমাকে অপহরন করা হয়েছে, আমার কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করেছেন, গতকালকে এই বিষয়ে আমি বন্দর থানায় অভিযোগ দিলে এখনো পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেননি বন্দর থানার ওসি ও পুলিশ সদস্যরা, পুলিশ কমিশনার কার্যলয় থেকে ফোন দিলে তাৎক্ষণিক মামলার রুজু করেন বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ, বিষয়টি এখানেই শেষ নয় বিবাদী ফেরদৌস লিটন ও বাদি শিপন হাওলাদারের কথা বার্তার ভিডিও রেকর্ড প্রকাশ পায়, সেখানে দেখা যায় জমি বায়না ও ক্রয় বিক্রয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন শিপনের বসত বাড়ির নিজ ঘড়ে যেখানে শিপনের মা এবং অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত থাকেন। যাদেরকে সাক্ষী দেওয়া হয়েছে তাদেরও ভিডিও রেকর্ড আশায় সেখানেও দেখা যায় সাক্ষী দুলাল গাজী ও রিপন হাওলাদার তাহারা জমি বিক্রয়ের আলোচনা করেন,ভিডিও রেকর্ডিং এর প্রমাণাদি থাকা সত্বেও চাঁদাবাজি মামলার আসামি হলেন ফেরদৌস লিটন, তিনি মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য, এবং সঠিক তদন্ত করে পুনরায় প্রতিবেদন দাখিলের জন্য অনুরোধ জানান, বরিশাল পুলিশ কমিশনারের কার্যালয় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন যা বর্তমান তদন্ত চলমান রয়েছে। বাদি শিপন হাওলাদারের ইয়াবা সেবন এর ভিডিও প্রকাশ পায় , এলাকার জনমনে প্রশ্ন যাকে ইয়াবা ব্যাবসায়ি ও সেবন কারীর ক্ষমতা মনে হয় অনেক, তাই পুলিশ ও তাদের কথা শোনে,
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যক্তি বলেন আমাদের পোলেরহাট বাজারে মাদকের ব্যবসা জমজমাট, মাদক সেবনে ব্যস্ত হয়ে পড়েন অনেক ছেলেপেলে, অনেকবার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিলেও কোনো ব্যবস্থা আমরা পাইনি।