ক্রীড়া প্রতিবেদক:
ইনিংসের শেষ বলে রানআউট হওয়ার আগে ৩৪ বলে ২৯ রান করেন ইরা। সুমাইয়া সুবর্ণার ব্যাটে আসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৩ রান। দেশের আর কেউ দু অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। অস্ট্রেলিয়ার ফিল্ডাররা ৫টি ক্যাচ না ছাড়লে পুঁজিটা আরও কমও হতে পারতো। অজি স্পিনার টেগান উইলিয়ামস ১২ রানে নেন ২ উইকেট। ২টি করে উইকেট পান কাওয়েমহে ব্রে ও এলেনর লারোসা।
আগের মাচে নেপালকে ৫২ রানে আটকে ফেলার আত্মবিশ্বাস ও বাংগির স্লো স্পিনি উইকেটকে সম্বল করে বোলিংয়ে নামে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার পরিকল্পনা ছিল মারমুখী শুরুর। তারা সফলও হয়। পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেট হারিয়েই তুলে ফেলে ৪১ রান। তবে এর পর জেকে ধরেন বাংলাদেশি বোলাররা। আসতে থাকে উইকেটও। এরই মাঝে ৩৫ বলে ৩০ রান করে অজিদের রান তাড়ার ভিত গড়ে দেওয়া অধিনায়ক লুসি হ্যামিলটনের ক্যাচ ফেলে দেন নিশিতা।
তবুও ৮৬ রানে ৮ উইকেট তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু উত্তেজনার অবসান ঘটিয়ে ৪ বল বাকি থাকতে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অজিরা। মাত্র ১৫ রানে ৩ শিকার ধরেন জান্নাতুল মাওয়া। একটি করে উইকেট পান নিশিতা, হাবিবা ও আনিসা। ২২ জানুয়ারি গ্রুপের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল।