ক্রীড়া প্রতিবেদক:
প্রথমার্ধে গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই পাল্টে যায় ম্যাচের গতিপথ। ম্যাচে প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধের ৫০ মিনিটের মধ্যে জ্যাক গ্রিলিশ ও আর্লিং হলান্ডের গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সিটি। এরপর তিন মিনিট পর হলান্ড ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। কিন্তু এরপরই যেন তীব্র ঝড় তোলে পিএসজি। ম্যাচের ৫৬ থেকে ৬০ মিনিটের মধ্যে দুই গোল শোধ করে নেয়।
নাটকীয় এই ম্যাচে ফ্রান্স জাতীয় দলের উইঙ্গার উসমান দেম্বেলে পিএসজিকে প্রথম গোল উপহার দেন। এরপর দিজিরে দুয়ের শট ক্রসবারে লেগে ফেরার পর বার্কোলার শট পোস্টের ভেতরের দিকে লেগে জালে জড়ায়। ম্যাচের দুই দলের পজিশনের মধ্যে পিএসজির ৬৪ শতাংশ হলেও, ম্যানচেস্টার সিটি খেলোয়াড় পজিশন ছিল খুবিই নাজেহাল।
মাঠে পিএসজি মোট ২৬টি শট নিয়ে ৯টি লক্ষে আঘাত করে। বিপরীতে ম্যানচেস্টার সিটির ৯ শটের ৬টি আঘাত করে।
এদিকে ওসমান দেম্বেলে ও ব্রাডলি বারকোলা মুহূর্তের মধ্যে সমতা ফেরান। এরপর জোয়াও নেভেসের দারুণ হেড আর গঞ্জালো রামোসের শেষ মুহূর্তের গোল নিশ্চিত করে সিটির দুঃস্বপ্নের রাত। ম্যাচের ৭৮তম মিনিটে ভিতিনিয়ার চমৎকার ফ্রি-কিক থেকে দারুণ হেডে পিএসজিকে আবারও এগিয়ে দেন জোয়াও নেভেস। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে বদলি খেলোয়াড় রামোস গোল করে পিএসজির জয় নিশ্চিত করেন।