মোঃ শাখাওয়াত হোসেন মিন্টু:
বার বার নিজ ওরশজাত সন্তানকে নিষেধ করার পরও যখন মাদক থেকে দূরে রাখতে পারেননি। নিজের সব সহায়-সম্বল হারিয়ে এবার যেই সন্তানকেই পুলিশে দিলেন।
আক্ষেপের সুরে নিজ সন্তানের হাত বেধেঁ পুলিশের জন্য অপেক্ষা করতে ছিলেন, চাঁদপুর ফরিদগঞ্জ উপজেলার রুপসা উত্তর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের পাড়া গাব্দেরগাঁ গ্রামের দিনমজুর বৃদ্ধ পিতা মো: বাবুল হোসেন(৫০)। তিন সন্তানের জনক বাবুল হোসেনের বড় ছেলে ছোট ছেলে হাছানের(২৫) ভয়ে নিজ বসত ঘরে আসেননা।
মাদকাসক্ত হাছান ২ সন্তানের জনক কিছুদিন পূর্বে তার আরো একটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহন করেছে, সদ্ধোজাত সন্তানের নিষ্পাপ হাসিও পাষান্ড পিতার মন ভোলাতে পারেনি।
১৭ আগষ্ট রবিবার সকালে মাদকাষক্ত হাছান মাদকের টাকার জন্য পিতা বাবুল হোসেন , মা আম্বিয়া বেগম কে মারধর ও ঘরের আসবাবপত্র ভাঙ্গচুর করলে এলাকাবাসী হাছান’কে বেঁধে স্থাণীয় ইউপি সদস্য মো: লিটন হোসেন’কে অবগত করলে ওই ইউপি সদস্যের পরামর্শে পুলিশকে অবগত করা হয়। বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী জানান, ইতিপূর্বে একাধিকবার এলাকাবাসি তাকে পুলিশে ধরিয়ে দিলেও পুলিশ তাকে আটক নাকরে ঘটনাস্থরে রেখে চলে আসে। হাছানের মা আম্বিয়া বেগম বলেন, বাবা আর পারিনা, অতিষ্ট হয়েগেছি। ছেলে মেয়েরা খুন করলেও বাবা মা তাদের পক্ষ নেয়। এ ছেলে আমাদের পুরো পরিবারটাকে ধ্বংশ করে দিয়েছে। যারা আমার এই ছেলের হাতে মাদক তুলে দিয়েছে আমার পরিবারটাকে ধ্বংশ করেছে। তাদের প্রতি আল্লাহর নালত পড়বে। কে বা কারা তার হাতে মাদক তুলে দিচ্ছে জানতে চাইলে কেই-ই কোন উত্তর দেননি।
স্থাণীয় ইউপি সদস্য লিটন বলেন, এই মাদকাসক্ত ছেলের আচরনে অতিষ্ট হইয়া বাবুল হোসেন আমাকে খবর দিছে, এই ছেলেকে এর আগেও একাধিকবার পুলিশে দেওয়া হয়েছিল। আমার বিনীত অনুরোধ থাকবে আপনারা একটু প্রতিরোধ করেন। মাদকের অবস্থা খুবই ভয়াবহ।
ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহ আলম জানান, তাকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে পরবর্তী আইননানুগ ব্যবস্থা পক্রিয়াধীন রয়েছে।