আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
ওয়াশিংটনে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের উদ্দেশ্যে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত থাকলেও বাস্তবে লড়াই থেমে নেই। রাশিয়া ইউক্রেনের শিল্পাঞ্চল ক্রেমেনচুকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে, যেখানে দেশের বৃহত্তম তেল শোধনাগার অবস্থিত। ক্রেমেনচুর তেল ও যাতায়াত অবকাঠামোর ওপর এই হামলা শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ নয়, বরং ভৌগোলিক ও কৌশলগত গুরুত্বও বহন করে।
ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাশিয়ার হামলার জবাবে ইউক্রেনের সিকিউরিটি সার্ভিস লুহানস্ক অঞ্চলে রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত দুটি অস্ত্র ডিপোতে হামলা চালিয়েছে। এর ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এদিকে, মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ নামে ত্রিশটির বেশি ইউরোপীয় ও কমনওয়েলথ দেশের জোটের ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে যুদ্ধ বন্ধ রাখার পাশাপাশি, রাশিয়া যেন পুনরায় আক্রমণ না করতে পারে তা নিশ্চিত করার জন্য ইউক্রেনে সৈন্য পাঠানো, অস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক সহায়তা বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এই জোটটি গত মার্চে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল, যা যুদ্ধবিরতির পাশাপাশি ইউক্রেনকে স্থায়ী সহায়তা প্রদানের জন্য আন্তর্জাতিক একমতকে প্রতিফলিত করে।