এস,এম,রুহুল তাড়াশী,
স্টাফ রিপোটার:-
বরই একটি সুস্বাদু ফল। দেখতেও আকর্ষণীয় এ ফলের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে। কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় বরই চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের। এরই মধ্যে এ ফল চাষে সফলতাও পেয়েছেন অনেকে।

অল্প পুঁজি ও ঝুঁকি কম থাকায় দেশের বিভিন্ন জায়গায় বরই চাষ করে অনেকেই সফালতা পেয়েছেন। বরইয়ের বাম্পার ফলনে খরচের চেয়ে লাভের পরিমাণ দুই থেকে তিন গুণ। এতে খুশি তাড়াশের চাষীরা। তাদের অনুসরণ করে তাড়াশ উপজেলা দিন দিন এ ফল চাষে আগ্রহ বাড়ছে অন্য চাষিদেরও।তাড়াশে বরই চাষে ঝুঁকছেন চাষিরা
তাড়াশ উপজেলা সম্প্রসারিত হচ্ছে বরই চাষ। জমির আইলে পরীক্ষামূলকভাবে বরই চাষে সফলতার পর উপজেলা ৫নং নওগাঁ ইউনিয়নের কালিদাশ নিলী গ্রামের এরশাদ সরদার ২বছর আগে বাণিজ্যিকভাবে বরইয়ের চাষ শুরু করেন। পতিত জমিতে বরই চাষ করে সফল হয়েছেন তিনি।
এরশাদ জানান,পেশা আমি একজন কৃষক কৃষি কাজ হল আমার একমাএ সংসার পরিচালনা করা মুল সম্ভবল।
তাই ২০২৪ সালে
অন্যের কাছ থেকে ২বছর আগে এক বিঘা জমি ইজারা নিয়ে কুল চাষের উপযোগী করেন। নাটর বনপাড়া থেকে ১৫টাকা পিচ (তিনশত ৩০০)বাউ কুল, আপেল কুল, নারিকেল কুল এবং বল সুন্দরী কুলের চারা কিনে এনে বাগানে রোপণ করি । মাত্র এক বছরেই বাগানের বরই গাছে বাম্পার ফলন ধরেছিল ।
গত বছরে এই সব বরইয়ের গাছে বরইয়ের ভারে নুয়ে পড়েছিল গাছ। আকারে বড় ও সুস্বাদু হওয়ায় এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। দেশের বিভিন্ন বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা এসে বরই কিনে নিয়ে যায় ।
গত বছরে নারিকেল ও আপেল কুল পাইকারি ৯০ টাকা আর খুচরায় বিক্রি করেছিলাম ১২০ টাকা কেজি। বাউকুল পাইকারি ৬০ টাকা কেজি আর খুচরায় বিক্রি করে ছিলাম ৮০ টাকা কেজি দরে।
এ বছরে আশা করছি গত বছরের চেয়ে প্রতি গাছ থেকে তিন গুন বরই বেশি পাব। কারন প্রথম গাছ গুলো ছিল ছোট আর এবার গাছ গুলো ঢালপালা বেড়ে গেছে তাই যে পরিমান বরই ফুল প্রতিটি গাছে দেখা যাচ্ছে তাতে এবার দুই তিন মাসের মধ্যে বরই বাজারযাত করা যেতে পারে। গত বছরের চেয়ে এবার গাছের যত্ন নিচ্ছি বেশী প্রতিটি গাছের গোড়ায় (DAP সার, খৈল, কীটনাশক, শ্যাম্পু ইত্যাদি দিয়ে গাছ কে পরিচর্যা করে যাচ্ছি। যা সামনের দিনে আমি ভালো ফলন পাব বলে আশা করি।
এরশাদ সরদার আরও জানান,
এই বাগানের জমি বাবদ ওজমি তৈরিসহ অন্যান্য খরচ বাবদ ৩০০টি বরই গাছ লাগাতে প্রায় ৫৫হাজার থেক ৬০হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তবে এ বছরে দ্বিগুণ লাভ হবে বলেও জানান তিনি।