লেবাননভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ক্র্যাডল-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আনসারুল্লাহর রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য আলি আল-ইমাদ বলেন, ইয়েমেনি বাহিনী নেতৃত্বের নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছে, যাতে তারা প্রতিশোধমূলক অভিযানে সরাসরি যোগ দিতে পারে।
সাম্প্রতিক সময়ে ইরানে হামলার পরও কেন সানার বাহিনী সরাসরি যুদ্ধে নামেনি—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রস্তুতি পুরোপুরি রয়েছে, তবে যেকোনো পদক্ষেপ কৌশলগতভাবে নির্ধারণ করা হবে।
তিনি বলেন, আনসারুল্লাহর নেতা সাইয়্যেদ আবদুল মালিক আল-হুথি প্রথম দিন থেকেই সংঘাতে অংশ নেওয়ার পূর্ণ প্রস্তুতির ঘোষণা দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ইয়েমেনের অবস্থান পারস্য উপসাগরীয় কোনো দেশের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে না। তার মতে, এটি আরব বা মুসলিমদের মধ্যে সংঘাত নয়; বরং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি ও তার আঞ্চলিক ভূমিকার বিরুদ্ধে লড়াই।
আল-ইমাদ বলেন, ‘ইরানের পাশে দাঁড়ানো আমাদের ধর্মীয় ও জাতীয় দায়িত্ব। কারণ ইরান এমন এক প্রকল্পের বিরুদ্ধে লড়ছে, যা পুরো অঞ্চলকে লক্ষ্যবস্তু করেছে—সেটি ‘গ্রেটার ইসরায়েল’ হোক বা ‘নিউ মিডল ইস্ট’ পরিকল্পনা।’
তিনি জানান, ইয়েমেনের সামরিক কৌশল ধাপে ধাপে উত্তেজনা বাড়ানোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা ২০২৩ সালে গাজাকে সমর্থন দেওয়ার সময়ও অনুসরণ করা হয়েছিল।
বুধবার হিজবুল্লাহ ও ইরান প্রথমবারের মতো যৌথভাবে ইসরায়েলের দিকে রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যা আঞ্চলিক সামরিক সমন্বয়ের নতুন মাত্রা হিসেবে দেখা হচ্ছে।