পুনম শাহরীয়ার ঋতু, নিজস্ব প্রতিবেদক:
চলমান যুদ্ধের কারণে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। এতে আন্তর্জাতিক তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতির প্রভাব বাংলাদেশের বাজারেও পড়তে শুরু করেছে। গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় মোটরসাইকেল চালকরা আগাম আশঙ্কায় তেল ফুল ট্যাংক করে রাখছেন।
পিছিয়ে নেই প্রাইভেটকার, সিএনজিচালিত অটোরিকশাও। জ্বালানি তেল সংকটের শঙ্কায় সবাই গাড়িতে ফুল ট্যাংক তেল নিয়ে রাখছেন। ফলে হঠাৎ করে পেট্রোল-অকটেন-ডিজেলের চাহিদা বেড়ে গেছে। দিনশেষে রাতেও তাই ফিলিং স্টেশনে গাড়ির জট দেখা গেছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে থেকেই প্রতিটি পাম্পের দেখা গেছে মোটরসাইকেল সহ সব ধরনের যানবাহনের লম্বা লাইন। নির্দিষ্ট পরিমানে তেল পেট্রোল নেয়ার কথা থাকলেও ৫০০ টাকার উপরে ডিজেল ও পেট্রোল না দেয়ার অভিযোগ উঠেছে পাম্প মালিক ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে।
এদিকে শুক্রবার সকালে থেকেই স্থানীয়ভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে গাজীপুরের অধিকাংশ পেট্রোল পাম্প গুলো। এদিকে গাড়িতে ডিজেল পেট্রোল না নেয়ায় বিপাকে পড়েছে চালক ও যাত্রীরা। এদিকে চালক ও স্থানীয়দের অভিযোগ গেলো রাতে তেলের দাম বৃদ্ধি হতে পারে এমন সংবাদে দিগুন দামে বিক্রির জন্য পাম্প মালিক পাম্প বন্ধ করে দিয়েছে। এতে করে একটি সিন্ডিকেট দল বেশি মুনাফা ফায়দার জন্য এ কাজ করেছে বলে অভিযোগ চালকদের।
বাস চালক সোলায়মান আলম বাবুল ও মিলাদ মিয়া বলেন সকাল থেকে ঢাকা থেকে এ পর্যন্ত ২৭ টি পেট্রোল পাম্প ঘুরে এসেছি কোথায়ও ডিজেল পেট্রোল নেই।তারা তেল দিচ্ছে না।অধিক দামে বিক্রি করবে বলে পাম্প বন্ধ করে রাখায় বিপাকে পরেছি আমরা। গাড়িতে তেল নেই।তাই গাড়ি বন্ধ করে অপেক্ষা করছি।