আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
দুই দফার ভোটপর্ব শেষ হওয়ার পর রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন একটাই প্রশ্ন—ক্ষমতার মসনদে শেষ হাসি কে হাসবে? চূড়ান্ত ফল ঘোষণা হবে আগামী ৪ মে। তার আগেই একাধিক বুথফেরত সমীক্ষা ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা।
তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে ‘জনমত পোলস’-এর সমীক্ষা। এই রিপোর্ট অনুযায়ী, আবারও বিপুল আসনে জয় পেয়ে ক্ষমতায় ফিরতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস। সমীক্ষার হিসাব বলছে, ঘাসফুল শিবির পেতে পারে ১৯৫ থেকে ২০৫টি আসন, অর্থাৎ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার পাশাপাশি স্পষ্ট আধিপত্য বজায় থাকবে তাদের।
অন্যদিকে, বিজেপি পেতে পারে ৮০ থেকে ৯০টি আসন। কংগ্রেসের ঝুলিতে যেতে পারে ১ থেকে ৩টি আসন। বামফ্রন্টের ক্ষেত্রে বড় কোনো সাফল্যের ইঙ্গিত নেই; সর্বোচ্চ ১টি আসনে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে তারা। অন্যান্য প্রার্থীরা পেতে পারেন ৩ থেকে ৫টি আসন।
একই ধরনের চিত্র উঠে এসেছে ‘পিপলস পালস’-এর সমীক্ষাতেও। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৃণমূল পেতে পারে ১৭৮ থেকে ১৮৯টি আসন। বিজেপির আসন সংখ্যা ৯৫ থেকে ১১০-এর মধ্যে থাকতে পারে। কংগ্রেসের সম্ভাব্য আসন ১ থেকে ৩টি এবং বামফ্রন্ট হয়তো শূন্যের গেরো কাটিয়ে ১টি আসনে সীমাবদ্ধ থাকবে।
তবে একাধিক অন্যান্য সমীক্ষায় ভিন্ন ইঙ্গিতও পাওয়া যাচ্ছে। কিছু রিপোর্টে বিজেপিকে এগিয়ে দেখানো হয়েছে এবং সম্ভাব্য পালাবদলের কথাও উঠে এসেছে।
তবুও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বুথফেরত সমীক্ষার ফল সবসময় নির্ভুল হয় না। অতীতেও দেখা গেছে, বাংলার বাস্তব ফলাফল অনেক ক্ষেত্রে এসব পূর্বাভাসকে ছাপিয়ে গেছে বা পুরোপুরি ভিন্ন হয়েছে।
তাই আপাতত এই সমীক্ষাগুলোকে চূড়ান্ত ফল নয়, বরং একটি সম্ভাব্য ধারণা হিসেবেই দেখছেন পর্যবেক্ষকরা। প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে ৪ মে ভোটগণনার দিনেই।