বরিশাল ব্যুরো অফিস:
কোন দল কিংবা রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়াই বরিশালে সর্বজনের কাছে প্রশংসিত সমাজসেবক খান মামুনের নাম শীর্ষে রয়েছে কয়েকযুগ ধরে। রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রয়োজনীয়তা ব্যবহারেও দেখা যায়নি খান মামুনকে।পারিবারিক পরম্পরায় দান জনসেবায় নিয়মিত নিজেকে নিয়োজিত রেখে সর্বমহলেই গরীবদূখীদের বিপদের শেষ ভরসাস্থল বিশিষ্ট সমাজসেবক হিসেবে আখ্যা পেয়েছে জনতার মূখে মূখেই রটে। যেকোনো দূর্যোগ কিংবা গরীব-দুঃখীদের আশার প্রদিপ হয়ে আলো হয়ে অন্ধকার কাটিয়েছে নিরবেই ।

বরিশালের বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব মাহমুদুল হক খান মামুন কে নিয়ে নানা বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ছাত্র জীবনের শুরু থেকে রাজনৈতিক অঙ্গনে খান মামুন ছিলেন একজন পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিকবিদ। তিনি অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের সাহায্য সহযোগিতা করতেন। এক কথায় পরোপকারী ছিলেন। তিনি বরিশালের দীর্ঘদিন সাবেক এমপি ও আইনজীবী তালুকদার মোঃ ইউনুচ, লস্কর নুরুল হক, আফজালুল করিম, আনিচ উদ্দিন শহিদ এদের সাথে পরিছন্ন রাজনীতি করেছেন। তারা রাজনীতির আদর্শ মেনে চলতেন। খান মামুন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত থেকে ব্যক্তি নিজেররস্বার্থের তুলনায় গরীব-দুঃখীদের কাছে বিভিন্ন রকমের সাহায্য সহযোগিতা পৌঁছে দিয়েছেন।
অনেকেই বলেছেন, খান মামুন কখনো কার সাথে ধ্বংসাত্মক রাজনীতি করেনি। তার রাজনীতির উদ্দেশ্য ছিল মানব সেবা। তাদের নিয়ে কোন একজন ব্যক্তির স্বার্থে স্বার্থ হাসিলের জন্য মেতে
উঠেছে। রাজনৈতিক জীবনে দল থেকে প্রাপ্তির খাতা শূন্য হলেও জনগণের কাছ থেকে অনেক ভালবাসা পেয়েছিলেন খান মামুন।
আবার কেউ বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কেন্দ্রীয় বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে- যারা ভাঙচুর ও হামলাসহ মাঠ পর্যায়ে জ্বালাও পোড়াও করেনি তাদের কে অহেতুক মামলা দিয়ে হয়রানি করতে নিষেধ করা হয়েছে। তারপরও এ আদেশ অমান্য করে ঘটনার সাথে জড়িত না থাকা ব্যক্তিদের অভিযুক্ত করা হয়েছে।
দলমত নির্বিশেষে খান মামুন করোনা মহামারী, বন্যায়, আগুনে পুড়ে যাওয়া নিঃস্ব হওয়া পরিবার সহ সকল প্রাকৃতিক দুর্যোগে আপনজন হয়েই অসহায় মানুষদের পাশে ছিলেন। যে কোনো বিপদে খান মামুন কে পাশে পেয়েছেন অনেক মানুষ ।
জানা গেছে, একটি মহল আ.লীগের স্বচ্ছ রাজনৈতিক কয়েক নেতা কে হেনেস্থা করার জন্য মেতে উঠেছে। কিন্ত বাস্তব প্রেক্ষাপট হল- বরিশালে খান মামুন সমাজ সেবক ও দানবীর নামে পরিচিত। বরিশালে খুব কম জায়গাই রয়েছে যেখানে তার সাহায্য সহযোগিতা পৌঁছায়নি।