আজই প্রথমবার বাংলাদেশের জার্সিতে কোনো ম্যাচে নামা মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন বাঁদিকে ঝাঁপিয়েও একটা ক্যাচ ধরতে পারেননি। ক্যাচটা সহজ ছিল না। তবে লিটন দাসের অসুস্থতায় সুযোগ পাওয়া উইকেটকিপার ক্যাচটা ধরতে পারলে কী হতো, সে নিয়েই যা আক্ষেপ থাকতে পারে বাংলাদেশের।
যাঁর ক্যাচ মিস করেছেন, সেই টনি ডি জর্জি শেষ পর্যন্ত লাঞ্চে গেলেন ফিফটি থেকে ১ রান দূরে থেকে। অথচ ক্যাচ মিস হওয়ার সময় তাঁর রান ছিল ৬, দক্ষিণ আফ্রিকার তখন রান ছিল ২৫।
৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা দেখা চট্টগ্রামে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনে আজ লাঞ্চের আগে ২৮ ওভার খেটে মরেছেন বাংলাদেশের বোলাররা, তার মধ্যে এই ক্যাচ মিসের আক্ষেপের বাইরে প্রাপ্তি বলতে তাইজুল ইসলামের একটা উইকেট। ১৮তম ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক এইডেন মার্করামকে (৩৩ রান) আউট করেছেন এই বাঁহাতি স্পিনার।
এর বাইরে বাকি সময়ে চট্টগ্রামের ব্যাটিং পিচে টস জিতে আগে ব্যাটিং নিয়ে অনায়াসে ব্যাটিং করে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ওভারপ্রতি ৪-এর কাছাকাছি গতিতে রান তুলেছে। এই প্রতিবেদন লেখার সময়ে লাঞ্চ হয়ে গেছে, এরই মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ১০০ পেরিয়ে গেছে। মার্করামের উইকেটটি হারিয়ে ১০৯ রান নিয়ে মধ্যাহ্নভোজনে গেছে প্রোটিয়ারা। ডি জর্জির অন্যপাশে ব্যাট করছেন ট্রিস্টান স্টাবস (২৩)।
পিচে শুরু থেকেই বোলারদের জন্য কিছু দেখা যাচ্ছে না। দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ওপেনার শুরু থেকেই দেখেশুনে ঝুঁকিহীন ক্রিকেট খেলেছেন, এর মধ্যে বাউন্ডারিও পেয়েছেন বেশ কয়েকটি। মার্করামের ইনিংস দুটি চার দেখেই শেষ হয়েছে, তবে ডি জর্জি এরই মধ্যে ৪টি চার আর ১টি ছক্কা মেরেছেন। মার্করামের বিদায়ের পর স্টাবস এসেও সহজেই মানিয়ে নিয়েছেন, গোছানো ব্যাটিং করছেন, তাঁর ইনিংসে এখন পর্যন্ত চার একটি।
সকালের সেশনের দুই ঘণ্টায় পিচের অবস্থা আর তাতে বাংলাদেশের বোলারদের ধারহীন বোলিং দেখে যদি কিছু অনুমান করে নিতেই হয়, তবে অনুমান করে নেওয়া যায় – দক্ষিণ আফ্রিকাকে প্রথম ইনিংসে আটকে রাখতে বেশ কসরতই করতে হবে।