দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শেষেই আফগানিস্তান সিরিজের জন্য দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ দল। ঘরের মাঠে টেস্ট ক্যারিয়ার শেষ করতে চেয়েও দেশে ফিরতে না পারা সাকিব আল হাসান সে সিরিজে থাকবেন কিনা- এ নিয়ে কৌতুহল বাড়ছে।
এদিকে জাতীয় দলে থাকা নিয়ে মুখ খুলেছেন সাকিব নিজেই।
মিরপুরে ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট খেলার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন সাকিব। তবে নিরাপত্তা ইস্যুতে তাঁকে দেশে ফিরতে মানা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা।
বাংলাদেশের হয়ে সাকিব এখন শুধুমাত্র ওয়ানডে ফরম্যাটেই নিজের খেলার দরজা খোলা রেখেছেন। ২০২৫ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পর সেটিরও ইতি টানবেন বলে জানিয়েছেন। তবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগে বাংলাদেশ নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী মাত্র ৬টি ওয়ানডে খেলবে, যেখানে সাকিবের দলে থাকা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।
আসন্ন আফগানিস্তান সিরিজের জন্য সাকিব বাংলাদেশ দলে থাকবেন তো। এমন প্রশ্নের জবাবে জনপ্রিয় ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজকে বলেছেন, ‘আমি কীভাবে বলবো, বিসিবি ভালো বলতে পারবে এ ব্যাপারে।’
সাকিবের উত্তরে অনেকটাই পরিষ্কার আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে তিনি খেলতে চাইলেও ব্যাপারটা এখন আর তাঁর হাতে নেই। এদিকে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগে দেশের বাইরে বাংলাদেশ দুইটি ওয়ানডে সিরিজ খেলবে। একটি শারজাতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে, অপরটি ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে। এই দুই সিরিজেই সাকিব অংশ নিতে পারলেও এভাবে বারবার দেশের বাইরে থেকে সিরিজের জন্য সাকিবের দলে যোগ দেওয়া নিয়ে কথা শুরু হয়েছে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সাকিবকে আফগানিস্তান সিরিজে অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে নির্বাচক প্যানেল থেকেও পরিষ্কার কিছু জানানো হয়নি। ক্রিকবাজ বিসিবির নির্বাচক কমিটির সদস্যের বরাত দিয়ে তাঁদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সাকিবের ব্যাপারে (দলে রাখা না রাখা) নির্বাচকরা এখনো বিসিবির উর্ধ্বতন কারো কাছ থেকে কোনো নির্দেশনা পাননি।
বিসিবির সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সাকিবকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত না এলে, ২০২৫ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগেই সাকিবের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।