By using this site, you agree to the Privacy Policy and Terms of Use.
Accept
বাংলাদেশ নিউজ টুডেবাংলাদেশ নিউজ টুডেবাংলাদেশ নিউজ টুডে
  • হোম
  • শীর্ষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
    • ঢাকা বিভাগ
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
    • সিলেট বিভাগ
    • রাজশাহী বিভাগ
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
    • খুলনা বিভাগ
    • বরিশাল বিভাগ
    • রংপুর বিভাগ
  • আইটি বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  • অন্যান্য
    • সম্পাদকীয়
    • আইন ও আদালত
    • চাকরির খোঁজ
    • আবহাওয়ার খবর
    • ক্যাম্পাস
    • অন্যরকম খবর
    • দুর্ঘটনা
    • কবি ও কবিতা
    • ফটোগ্যালারী
    • ট্রাভেল
    • ফ্যাশন
    • ধর্ম ও জীবন
    • প্রবাসীর খবর
    • ভাইরাল ভিডিও
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • রন্ধন শৈলী
    • লাইফ স্টাইল
    • শিক্ষাঙ্গন
    • জনমত
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • সাক্ষাৎকার
Reading: স্কুল-কলেজে মোবাইল নিষিদ্ধ: নৈতিক অবক্ষয়ের কঠোর বাস্তবতা
Share
Notification Show More
Font ResizerAa
বাংলাদেশ নিউজ টুডেবাংলাদেশ নিউজ টুডে
Font ResizerAa
  • হোম
  • শীর্ষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
  • আইটি বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  • অন্যান্য
  • হোম
  • শীর্ষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
    • ঢাকা বিভাগ
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
    • সিলেট বিভাগ
    • রাজশাহী বিভাগ
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
    • খুলনা বিভাগ
    • বরিশাল বিভাগ
    • রংপুর বিভাগ
  • আইটি বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  • অন্যান্য
    • সম্পাদকীয়
    • আইন ও আদালত
    • চাকরির খোঁজ
    • আবহাওয়ার খবর
    • ক্যাম্পাস
    • অন্যরকম খবর
    • দুর্ঘটনা
    • কবি ও কবিতা
    • ফটোগ্যালারী
    • ট্রাভেল
    • ফ্যাশন
    • ধর্ম ও জীবন
    • প্রবাসীর খবর
    • ভাইরাল ভিডিও
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • রন্ধন শৈলী
    • লাইফ স্টাইল
    • শিক্ষাঙ্গন
    • জনমত
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • সাক্ষাৎকার
Have an existing account? Sign In
Follow US
  • Advertise
© 2022 Foxiz News Network. Ruby Design Company. All Rights Reserved.
ক্যাম্পাসশীর্ষ সংবাদসারাদেশ

স্কুল-কলেজে মোবাইল নিষিদ্ধ: নৈতিক অবক্ষয়ের কঠোর বাস্তবতা

নিউজ ডেস্ক
Last updated: আগস্ট 21, 2025 11:16 অপরাহ্ন
নিউজ ডেস্ক 8 মাস ago
Share
SHARE

ইন্টারনেট ও স্মার্টফোনের এই যুগে মোবাইল ফোন আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক ক্লিকেই এখন বিশ্ব আমাদের হাতের মুঠোয়, যা জীবনকে করেছে গতিশীল, সহজ ও প্রানবন্ত। কিন্তু যখন এই মোবাইল ফোন অল্পবয়সী শিক্ষার্থীদের হাতে অনিয়ন্ত্রিতভাবে চলে যায়, তখন তা শিক্ষার বিনাশ, নৈতিক অবক্ষয় এবং মানসিক বিপর্যয়ের এক নীরব কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

প্রশ্ন হচ্ছে—মোবাইল কি শিক্ষাকে গতিশীল করছে, নাকি তরুণ প্রজন্মের চারিত্রিক মেরুদণ্ড ভেঙে দিচ্ছে? বাস্তবতা বলছে, স্কুল পর্যায়ে মোবাইল নিষিদ্ধ করা এখন শুধু জরুরি নয়, বরং অবশ্যম্ভাবী। কলেজে সীমিতভাবে ব্যবহার অনুমোদন করা যেতে পারে, তবে তা কঠোর নিয়ন্ত্রণের ভেতরে হতে হবে। আজ আমরা মোবাইল নিষিদ্ধের কঠোর বাস্তবতা এবং এর নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব, যা হয়তো আমাদের সবার চোখ খুলে দেবে।
মোবাইলে শিক্ষার বিনাশ ও নৈতিক অবক্ষয়

মোবাইল ফোন শিক্ষার্থীদের হাতে আসার পর থেকে এর নেতিবাচক প্রভাবগুলো স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এখন শিক্ষার্থীদের বইয়ের পাতায় মনোযোগের চেয়ে মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে মনোযোগ বেশি।

টিকটক ও শর্ট ভিডিওর আসক্তি
বর্তমানে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে টিকটক, ইনস্টাগ্রাম রিলস, ইউটিউব শর্টস—এসব শর্ট ভিডিও আসক্তির পর্যায়ে পৌঁছেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা তারা শুধু স্ক্রল করেই কাটিয়ে দিচ্ছে। এসব ভিডিওর মধ্যে অশ্লীল নাচ, অশালীন সংলাপ, অনুকরণ, সস্তা খ্যাতি পাওয়ার পেছনে দৌড়ানো—এগুলোই বেশি।

এই আসক্তি শিক্ষার্থীদের মনোযোগের ক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, কারণ শর্ট ভিডিওর দ্রুত পরিবর্তনশীলতা তাদের মস্তিষ্কে এক ধরনের ডোপামিন নির্ভরতা তৈরি করে। ফলে তারা দীর্ঘক্ষণ কোনো কিছুতে মনোযোগ দিতে পারে না, যা তাদের পড়ালেখা, গভীর চিন্তাভাবনা এবং সৃজনশীলতাকে বাধাগ্রস্ত করছে। একটি প্রজন্ম ধীরে ধীরে ‘ফেম’ আর ‘ভিউ’ এর নেশায় নিজের পড়ালেখা, লক্ষ্য, নৈতিকতা সব ভুলে যাচ্ছে।

টিকটক শর্টস দেখা ছাড়াও একদল ছেলে মেয়ে রয়েছে যারা নিয়মিতভাবে কলেজে রাস্তাঘাটে টিক টক শর্টস তৈরি করে। এমনকি এই বয়সে তারা টিকটক রিলস থেকে প্রচুর পরিমান টাকা উপার্জন করছে। যা তাদেরকে ধীরে ধীরে নৈতিক অবক্ষয়ের দিকে ধাবিত করছে। এর ফলে অনেক টিকটকার পরীক্ষায় ফেলও করছে, কিন্তু কোন অনুশোচনায় তাদের মধ্যে নেই। যা একটি প্রজন্মকে একটি অস্থির জাতিতে পরিণত করছে।

অশ্লীল কনটেন্টে নৈতিক অবক্ষয়
মোবাইলের সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হলো—অশ্লীল ভিডিও বা পর্নোগ্রাফি, যা মোবাইলের কারণে শিশু-কিশোরদের কাছে সহজলভ্য হয়ে গেছে। এর ফলে তাদের মানসিক বিকাশ ও চেতনায় বিকৃতি তৈরি হচ্ছে। সমাজে এর প্রতিফলনও দেখা যাচ্ছে। অনেক ঘটনায় দেখা গেছে, স্কুলে সহপাঠীর ছবি গোপনে তুলে শেয়ার করা, মেয়েদের উত্যক্ত করা, এমনকি ব্ল্যাকমেইলের ঘটনাও ঘটছে। মোবাইল এখন যেন নৈতিক অবক্ষয়ের নীরব বিস্ফোরক। এটি কিশোর কিশোরী ও তরুণদের মনে ভুল সম্পর্ক, যৌনতা এবং মূল্যবোধের অবক্ষয়ের ধারণা তৈরি করছে, যা সমাজকে এক অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

গেম আসক্তি ও সহিংসতা
অনেকে বলে গেম ব্রেইন উন্নত করে, কিন্তু বাস্তবে ফ্রি ফায়ার, পাবজি, কল অফ ডিউটির মতো গেমগুলোর আসক্তি ছাত্রদের পড়াশোনা থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে। রাতভর গেম খেলা, ভার্চুয়াল সহিংসতায় মগ্ন থাকা, রাগ, হতাশা আর বাস্তব জীবন থেকে বিচ্ছিন্নতা—এগুলো এখন সাধারণ সমস্যা। এই গেমগুলো শিশুদের মধ্যে এক ধরনের আগ্রাসী মনোভাব তৈরি করছে। কেউ কেউ গেম খেলার জন্য বাবা-মায়ের সাথে রাগারাগি করে রাতে মোবাইল নিয়ে দরজা বন্ধ করে রাখে। এর ফলে সামাজিক সম্পর্ক, শারীরিক স্বাস্থ্য, ঘুম—সবকিছুই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গেমের পেছনে প্রচুর সময় নষ্ট হচ্ছে, যা তাদের সৃজনশীলতা ও পড়ালেখাকে নষ্ট করে দিচ্ছে।

মোবাইলের মাধ্যমে জুয়া
মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অনলাইন জুয়া এখন একটি নতুন সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। অসংখ্য জুয়া অ্যাপ ও সাইট শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে তৈরি করা হচ্ছে। এই অ্যাপ গুলো গেমের আলোকে তৈরি করা হলেও তা মূলত জুয়া খেলার অ্যাপ। প্রথমে তারা ছোট অংকের টাকা জেতার লোভ দেখায়, কিন্তু ধীরে ধীরে শিক্ষার্থীরা বড় অংকের জুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ে। এতে তারা শুধু অর্থই হারায় না, বরং মানসিক চাপেরও শিকার হয়। জুয়ার নেশা তাদের পড়াশোনা, পারিবারিক সম্পর্ক, এমনকি তাদের জীবনের ওপরও মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। অনেক শিক্ষার্থী বাবা-মায়ের অজান্তে টাকা চুরি করা বা ঋণ করার মতো অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ছে, যা তাদের নৈতিক অবক্ষয়কে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

পড়াশোনায় মনোযোগ নষ্ট
মোবাইল হাতে থাকলে স্কুলের শিশুরা ক্লাসে মনোযোগ দিয়ে শোনার বদলে সাইলেন্টে গেম খেলছে বা ভিডিও দেখছে। শিক্ষকের লেকচার বা কোনো আলোচনা তাদের কানে ঢুকছে না। এর ফলে তারা হোমওয়ার্ক ভুলে যাচ্ছে, পরীক্ষায় প্রস্তুতি নিচ্ছে না এবং তাদের শেখার প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, অনেকে অ্যাপ থেকে নকল উত্তর টুকে নেয়, যা তাদের শেখার আগ্রহকে একেবারে নষ্ট করে দেয়। প্রশ্নফাঁসের মাধ্যম হিসেবেও মোবাইল বারবার উঠে এসেছে, যা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে দুর্বল করে দিচ্ছে।

কেন স্কুল-কলেজে মোবাইল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হওয়া উচিত?

স্কুল মানে শুধু পড়ালেখার জায়গা নয়, এটি শৃঙ্খলা, মূল্যবোধ ও মননশীলতা গঠনের এক পবিত্র স্থান। একটি শিশুর হাতে যখন মোবাইল থাকে, তখন সে ক্লাসে মনোযোগী হয় না, বরং তার মনোযোগ চলে যায় সামাজিক মাধ্যম বা গেমে। ছোটদের হাতে মোবাইলের কোনো প্রয়োজন নেই। সেখানে বই, খাতা, পেন্সিলই যথেষ্ট। মোবাইল নিষিদ্ধ রাখলে তারা অন্তত ক্লাসে মনোযোগী হবে, টিকটক করবে না, অশ্লীল কনটেন্ট দেখবে না, এবং তাদের মানসিক স্বাভাবিকতা বজায় থাকবে। স্কুলে মোবাইল রাখা মানে বিপদকে প্রশ্রয় দেওয়া। এর মাধ্যমে শিশুদের স্বাভাবিক সামাজিকীকরণ, খেলাধুলা এবং মানবিক মিথস্ক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

সীমিতভাবে মোবাইল ব্যবহারের যৌক্তিকতা
কলেজ পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা তুলনামূলকভাবে পরিণত। এই বয়সে অনেকেই ভর্তি পরীক্ষা, অ্যাসাইনমেন্ট, অনলাইন কোর্স, ই-মেইল, বা চাকরির ফরম পূরণের জন্য মোবাইল ব্যবহার করে। তাই কলেজে মোবাইল পুরোপুরি নিষিদ্ধ না করে বরং নীতিমালার মাধ্যমে সীমিত স্বাধীনতা দেওয়া যেতে পারে। যেমন:
ক্লাস চলাকালে ফোন নীরব রাখা

ক্লাস চলাকালে শিক্ষার্থীরা মোবাইল ফোন বন্ধ বা নীরব মোডে রাখবে।
শিক্ষামূলক কাজ ছাড়া অন্যকিছু নিষিদ্ধ

শিক্ষামূলক কাজ যেমন, অনলাইন গবেষণা বা অ্যাসাইনমেন্টের প্রয়োজনে মোবাইল ব্যবহার করা যাবে, কিন্তু সামাজিক মাধ্যম বা বিনোদনমূলক কনটেন্ট দেখা নিষিদ্ধ থাকবে।
নির্দিষ্ট ‘মোবাইল জোন’

ক্যাম্পাসে নির্দিষ্ট কিছু ‘মোবাইল জোন’ রাখা যেতে পারে, যেখানে শিক্ষার্থীরা জরুরি প্রয়োজনে ফোন ব্যবহার করতে পারবে।
সমাধান ও প্রস্তাবনা

এই সমস্যার সমাধান একক কোনো উদ্যোগের মাধ্যমে সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন একটি সমন্বিত পদক্ষেপ।
স্কুলে শতভাগ মোবাইল নিষিদ্ধ

কঠোরভাবে স্কুল পর্যায়ে মোবাইল নিষিদ্ধ করতে হবে। এই নিয়ম মানার জন্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট চুক্তি থাকা জরুরি।
কলেজে নিয়ন্ত্রিত অনুমতি

কলেজগুলোতে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরি করে মোবাইল ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে, যা শিক্ষাকে উৎসাহিত করবে এবং অপব্যবহার রোধ করবে।
অভিভাবক ও শিক্ষকদের সচেতনতা

বাবা-মা ও শিক্ষকদের যৌথভাবে সচেতন হতে হবে। বাবা-মাকে তাদের সন্তানের অনলাইন কার্যক্রমের ওপর নজর রাখতে হবে এবং শিক্ষকদের উচিত শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো গুরুত্বের সাথে দেখা।

নৈতিক শিক্ষা ও ‘ডিজিটাল ডিসিপ্লিন’
আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় নৈতিক শিক্ষা এবং ‘ডিজিটাল ডিসিপ্লিন’ বিষয়ক ক্লাস চালু করা যেতে পারে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তির ভালো ও মন্দ দিক সম্পর্কে সচেতন হবে।

সুসন্তান গড়ে উঠুক আনন্দে

মোবাইল একদিকে দরকারি প্রযুক্তি, কিন্তু ভুল হাতে গেলে তা সমাজ-মানসিকতা সবকিছু ধ্বংস করতে পারে। আজ আমাদের সন্তানেরা শুধু নাচ-গান, ফিল্টার, গেম আর অশ্লীলতায় ডুবে আছে—এটা জাতির জন্য এক সাইলেন্ট বিপর্যয়। তাই স্কুলে মোবাইল নিষিদ্ধ করা কঠিন হলেও সময়ের দাবি। আর কলেজে প্রযুক্তির ভালো দিক ব্যবহার করার জন্য নিয়ন্ত্রিত স্বাধীনতা যথেষ্ট।

তবে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য বিকল্প সৃজনশীল পরিবেশ তৈরি করাটাই হবে টেকসই সমাধান। বই পড়া, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, বিজ্ঞানচর্চা কিংবা শিল্প-সাহিত্যে সম্পৃক্ততা তাদেরকে মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্ত করে সুস্থ জীবনের পথে নিয়ে যাবে। সুসন্তান গড়ে ওঠে মোবাইলের স্ক্রিনে নয়, বরং আনন্দমুখর শিক্ষাঙ্গন, খেলাধুলার মাঠ আর জ্ঞানচর্চার আসরে। মোবাইলের অধীনে নয়—বরং মোবাইলকে নিয়ন্ত্রণ করেই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তুলতে হবে।

সাখাওয়াতুল আলম চৌধুরী
লেখক ও সমাজ গবেষক

You Might Also Like

স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ প্রদান: খালেদা জিয়ার মরণোত্তর সম্মাননা গ্রহণ করলেন জাইমা রহমান

সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ার হাসপাতালে মির্জা আব্বাস

নোয়াখালীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ২২শত লিটার তেল লুটের অভিযোগ

ভাড়া বাসায় মদের কারবার,বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার-১

হজযাত্রীদের সেবায় সর্বোচ্চ নিষ্ঠা ও সরকারি ভাবমূর্তি রক্ষার আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর

Share This Article
Facebook Twitter Email Print
Previous Article তাড়াশে মুরগি ও কোয়েল খামারে স্বাবলম্বী : রবিউল
Next Article ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ঘরোয়া উপায়: প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে সুস্থ জীবন
Leave a comment

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

বাংলাদেশ নিউজ টুডেবাংলাদেশ নিউজ টুডে
Follow US
© ২০২৫ , বাংলাদেশ নিউজ টুডে।
  • হোম
  • শীর্ষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
  • আইটি বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  • অন্যান্য
Welcome Back!

Sign in to your account

Lost your password?