মাঝিড়া ইউনিয়ন জুড়ে চলছে কানাকানি কিসের জোরে কোন শক্তির বলে এত বড় স্বৈরাচারী দলের সদস্য কিভাবে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে। অনেকে এমনও কথা বলছে যে টাকার জোরে সে এখনো বাহিরে ও চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আছে।
বগুড়া শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন কুখ্যাত সন্ত্রাসী নুরুজ্জামান। স্বৈরাচার সরকার পতনের পর নুরুজ্জামান পালিয়ে গেলেও পালাইনি তার সহচর ইউপি সদস্য ও বর্তমানে মাঝিড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর হোসেন।
বর্তমানে শোনা যাচ্ছে তাকে নাকি খোট্টাপাড়া ইউনিয়নের বিএনপির নেতা শফিকুল ইসলাম শফিক তার ছায়াতলে আশ্রয় দিয়ে রাখছে।
আলমগীরের সম্পর্কে আরো জানাযায় বিগত স্বৈরাচার সরকারের আমলে এই আলমগীর মাঝিড়ায় জমি বেচা-কেনার দালালি করতো। হঠাৎ তার দালালির সুবিধার্থে ইউপি সমস্য পদে নির্বাচন করেন। ইউপি সদস্য হওয়ার পর ক্ষমতার লোভে ও স্বৈরাচারী সরকারের কাছ থেকে সুযোগ সুবিধা ভোগের জন্য ঘটা করে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। শুধু তাইনয় ১২ নভেম্বর ২০১৫ সালে স্বৈরাচার সরকারের নেত্রী শেখ হাসিনা বগুড়ায় আগমন উপলক্ষে মাঝিরা স্ট্যান্ড ও আশেপাশে ঢাকা-বগুড়া হাইওয়ের বেশ কিছু জায়গায় শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তার ছবিসহ ব্যানার টানিয়ে গেট নির্মাণ করেন।
গত ইউপি নির্বাচনে আলমগীরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে যারা দাঁড়িয়েছিলেন তাদেরকে সন্ত্রাসী নুরুজ্জামান ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী সদস্যরা আলমগীরের টাকা খেয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় জীবননাশের হুমকি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জীবননাশের হুমকি দিয়ে আলমগীরের প্রতিদ্বন্দ্বী পথ থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য করে, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ইউপি সদস্যের পথ বাগিয়ে নেন।
বর্তমানে সে এখন প্যানেল চেয়ারম্যান। সন্ত্রাসী নুরুজ্জামান ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে এখন অব্দি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। শুধু তাইনয় বিভিন্ন নামে বেনামে প্রকল্প নিয়ে নাম মাত্র কাজ দেখিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।
এই আলমগীর সন্ত্রাসী নুরুজ্জামানের সাথে হাত মিলিয়ে মাঝিড়া এলাকার বহিরাগত সেনা বাহিনীর সহজ সরল সদস্যদের ভুল বুঝিয়ে ঝামেলাকৃত জমি তাদের কাছে বিক্রয় করে পরে তাদের থেকে নামমাত্র কিছু টাকা দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে আবার জমি ফিরত নিতো।
মাঝিড়া ইউনিয়নের সাধারণ মানুষগুলি কি আদেও স্বৈরাচারের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছে, না পায়নি কারন স্বৈরাচার সরকারের সময় ছিলো সন্ত্রাসী নুরুজ্জামানের হাতে জিম্মি এখন সেখান থেকে মুক্তি পেলেও বন্ধী হয়েছে আবারো সন্ত্রাসী নুরুজ্জামানের সহচর আলমগীরের হাতে।
মুক্তি চায় মাঝিড়া ইউনিয়নবাসী। অনুরোধ জানিয়েছে প্রশাসনে প্রতি তাদের জানমাল রক্ষার্থে।