এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সিনেমাটির কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়তে দেখা যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের আশঙ্কা, এভাবে ক্লিপ ফাঁস হলে সিনেমাটির ব্যবসায় বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের মতে, পাইরেসি রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে। দর্শকদেরও অনলাইনে অবৈধভাবে ছড়ানো কন্টেন্ট দেখা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। কীভাবে ছড়ালো এসব ভিডিও সে বিষয়ে কিছুই জানে না ছবিটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। অনলাইনের ক্লিপগুলো পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেল, সবই হল প্রিন্ট। হলে বসে কেউ ফোনে ধারণ করে এনে ক্লিপগুলো প্রকাশ করে দিচ্ছেন ফেসবুকসহ নানা সামাজিক মাধ্যমে। এই আইডিগুলো শনাক্ত করা গেলেই ভিডিওগুলোর প্রদর্শন বন্ধ করা যাবে।
গেল কয়েক বছরে শাকিব খানের কাজ ও পর্দা উপস্থিতিতে যে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছিল, তাতে অনেকেই আশাবাদী হয়ে উঠেছিলেন ‘প্রিন্স’ নিয়ে। সেই আশায় প্রত্যাশা অনেকটাই ম্লান বলা যায়।