উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী বিমানের ভেতরে গিয়ে হজযাত্রীদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কুশল বিনিময় করেন। ফ্লাইটের অভ্যন্তরীণ সাউন্ড সিস্টেমের মাধ্যমে দেওয়া সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি হজযাত্রীদের ‘আল্লাহর মেহমান’ হিসেবে অভিহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা আল্লাহর পবিত্র ঘরে যাচ্ছেন। দেশ ও জাতির কল্যাণে আপনারা দোয়া করবেন, যেন আমরা সব সংকট মোকাবিলা করে জনকল্যাণমূলক উদ্যোগগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি।’
এসময় হজ প্যাকেজের উচ্চমূল্য নিয়ে হজযাত্রীদের উদ্বেগের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার আগেই চলতি বছরের হজের প্রাথমিক প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন হয়েছিল। তা সত্ত্বেও বর্তমান প্রশাসন হজের খরচ অন্তত ১২ হাজার টাকা কমিয়ে আনার চেষ্টা করেছে। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, আগামী বছর থেকে হজের খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ফ্লাইট ছাড়ার আগে বিমানযাত্রীদের নিরাপদ সফর এবং দেশের সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। প্রধানমন্ত্রী মোনাজাতে অংশ নেওয়ার পর বিমানবন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জ হয়ে ত্যাগ করেন। এর আগে, রাত ১১টার দিকে তিনি আশকোনা হজ ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে হজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলেন।