মিলাদ হোসেন অপু :
বিএনপি ক্ষমতায় এলে নদী ভাঙ্গন থেকে ভৈরবকে রক্ষা করতে আগানগর থেকে জগন্নাথপুর পর্যন্ত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে। ভৈরব নদী ভাঙ্গনের বিষয়টি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অবগত হয়েছেন। ১০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ভৈরবের ডিপোঘাট এলাকায় মেঘনা নদীতে ভাঙ্গন পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল আলম।
এসময় তিনি বলেন, যে বাঁধ আগানগর, চাঁনপুর, কালিপুর হয়ে ভৈরব বাজার দিয়ে জগন্নাথপুর পর্যন্ত হওয়ার কথা থাকলেও এই শহর রক্ষাবাঁধ একটি বিশেষ গ্রামকে রক্ষা করার জন্য করা হয়েছে। নাম মাত্র বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। বাঁধের নামে অর্থ লুটপাট করা হয়েছে। গত দুইদিন যাবত মেঘনা নদীর ভাঙ্গনের কবলে বন্দর নগরী ভৈরব শহর। এখানে ১৭টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এই জায়গাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভৈরবের মানুষদের জন্য। এখানে দুটি তেলের ডিপো, বিএডিসির দুটি সারের গোদাম ও খাদ্য গোদাম রয়েছে। সাথে রয়েছে দুটি রেল ও একটি সড়ক সেতুসহ তিনটি সেতু। অনেক প্রতিষ্ঠানসহ সব স্থাপনাগুলো আজ হুমকির মুখে। সরকারি ভাবে ইতিমধ্যে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কিশোরগঞ্জের অর্থনীতির জন্য ভূমিকার রাখে এই ভৈরব। আমরা চাই সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখানে একটি প্রকল্পের ব্যবস্থা নিবেন।
পরিদর্শন শেষে কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি শরীফুল আলম ক্ষতিগ্রস্ত ১৭টি পরিবারের হাতে ১০ হাজার করে টাকা তুলে দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপি সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ভিপি সাইফুল হক, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র হাজী মো. শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভিপি মুজিবুর রহমান, উপজেলা যুবদল আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন সুজন, উপজেলা ছাত্রদল আহবায়ক রেজুয়ান উল্লাহ প্রমুখ। এছাড়াও উপজেলা ও পৌর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদলসহ সকল সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।