মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে আবারও আলোচনায় সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যকার সম্পর্ক। ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে বেশকিছু শর্ত দিয়েছিল সৌদি সরকার। তবে এবার সেসব শর্ত শিথিল করতে সম্মত হয়েছে তারা। ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিনিময়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে উচ্চাভিলাষী প্রতিরক্ষা চুক্তির যে আশা ছিল, সৌদি আরব তা ত্যাগ করেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়। এতে বলা হয়, এখন আরও সীমিত সামরিক সহযোগিতা চুক্তির দিকে এগোচ্ছে সৌদি সরকার। তবে সৌদি আরব এখনো ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে। অতীতে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনে ইসরায়েলের অঙ্গীকার গ্রহণযোগ্য হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিল রিয়াদ।
তবে গাজায় চলমান আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে ইসরায়েলকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার শর্ত পুনরায় আরোপ করেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। এমনটাই জানিয়েছে রিয়াদ ও পশ্চিমা কর্মকর্তারা।
রিয়াদের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ফিলিস্তিনের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার উপেক্ষা করে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা সম্ভব নয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মেয়াদের মধ্যে সৌদি-আমেরিকা প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্পাদনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও, বিষয়টি সীমিত সামরিক সহযোগিতায় সীমাবদ্ধ হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে আগ্রহী। পশ্চিমা কূটনীতিকেরা বলেছেন, এটি আরব বিশ্বে ইসরায়েলের একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হবে। তবে গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ফিলিস্তিনিদের ছাড় দেওয়ার বিষয়ে অভ্যন্তরীণ বিরোধের মুখোমুখি তিনি।