নিজস্ব প্রতিনিধি:
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, “৩৬ জুলাই ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান না হলে আজ আমরা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা পেতাম না। সভা-সমাবেশ করাও হতো দুঃসাধ্য।”
শুক্রবার (১ আগস্ট) বিকেলে নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার মোমিনপুর কলেজ মাঠে জুলাই বিপ্লবে নিহত শহীদদের স্মরণে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দুলু বলেন, “ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মানুষের বাক-স্বাধীনতা ছিল না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিন্নমত প্রকাশ করলেই মানুষকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হতো। ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান সে দমন-পীড়নের অবসান ঘটিয়েছে। তাই দিনটি জাতির জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আওয়ামী লীগপ্রধান শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে বসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। তিনি চাইছেন দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে প্রমাণ করতে। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ সব বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে এখন অন্তত এই জায়গায় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, দেশের মাটিতে আর কখনো যেন ফ্যাসিবাদ ফিরে না আসে।”
দুলু আরও বলেন, “শেখ হাসিনা একসময় নিজেই বলেছেন, ভারতকে তিনি যা দিয়েছেন, ভারত তা ভুলতে পারবে না। ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে তিনি বাংলাদেশকে ভারতের অঙ্গরাজ্যে পরিণত করবেন। দেশের জনগণকে তাই সতর্ক থাকতে হবে।”
সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মোজাহার হোসেন।
অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ, যুগ্ম আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান খান বাবুল চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম আফতাব, মোস্তাফিজুর রহমান শাহিন, সাবেক আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম বাচ্চু, নাটোর পৌরসভার সাবেক মেয়র কাজী শাহ আলম, যুবদল সভাপতি এ. হাই তালুকদার ডালিম, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মারুফ ইসলাম সৃজন এবং শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম বুলবুল প্রমুখ।
সভা শেষে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।