নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
আগামী সপ্তাহ থেকেই দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যাবে এবং লোডশেডিং কমে আসবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীতে সিপিডি আয়োজিত বাংলাদেশ–চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানি ফোরামের আলোচনায় তিনি এ আশ্বাস দেন।
মন্ত্রী বলেন, “আগামী পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। পাশাপাশি আগামী সপ্তাহ থেকেই বিদ্যুৎ পরিস্থিতি উন্নত হবে এবং লোডশেডিং কমতে শুরু করবে।”
তিনি আরও জানান, তেলের আমদানি ব্যয় প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে এবং বিদ্যুৎ খাতে এখনো প্রায় ৫৬ হাজার কোটি টাকার বকেয়া পরিশোধ বাকি রয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানি ব্যাহত হচ্ছে, ফলে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না। এর ফলে দেশজুড়ে লোডশেডিং বেড়েছে এবং সাম্প্রতিক সময়ে তা তীব্র আকার ধারণ করেছে।
এদিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় শহর ও গ্রামের মধ্যে লোডশেডিং সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্মসচিব উম্মে রেহানা। তিনি বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতি, কৃষি ও সেচ কার্যক্রম সচল রাখতে প্রয়োজন অনুযায়ী বিদ্যুৎ বণ্টন করা হচ্ছে।
এছাড়া ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে নির্দিষ্ট মাত্রার লোডশেডিং কার্যকর করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি সংসদে বলেন, “বৈষম্য কমাতে শহরেও প্রয়োজন অনুযায়ী লোডশেডিং চালু রাখা হয়েছে।”