বরিশাল অফিসঃ
বরিশালের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়াী চরবাড়িয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মোঃ রাসেল হাওলাদারের বিরুদ্ধে ইয়াবা,আইস, ফেনসিডিল, হেরোইন, গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের নেশা, মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছেন।
ধরাছোঁয়ার বাহিরে মাদক চালান সাপ্লাইয়ার শাওন স্থানীয়রা বলেন, বরিশাল নগরীসহ চরবাড়িয়া ইউনিয়ন,শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন, চরমোনাই ইউনিয়ন, টুংগীবাড়ীয়া ইউনিয়ন, চাঁদপুরা ইউনিয়ন, চরকাউয়া ইউনিয়ন, কড়াপুর ইউনিয়নে মাদকদ্রব্য ইয়াবা,আইস, ফেনসিডিল, হেরোইন,গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের নেশা,মাদকদ্রব্য ডিলার হিসাবে সাপ্লাই দিয়ে আসছেন।
গত (৫ আগষ্ট) বৈষম্য বিরোধ ছাত্র আন্দোলনে বাংলাদেশ সরকার শেখ হাসিনা পালিয়ে যায়, এরপর থেকে পুলিশ প্রশাসনকে নিরব ভূমিকায় দেখা যায়।
এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে পুলিশের চোখে বৃদ্ধ আঙ্গুল দিয়ে,যুবসমাজকে ধ্বংস করতে এলাকার স্কুল পড়ুয়া ছেলেদের কাছে ইয়াবা,আইস, ফেনসিডিল, হেরোইন, গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের নেশা, মাদকদ্রব্য বিক্রি করে যুবসমাজ ধ্বংস করছে। আমরা পুলিশ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করছি, এই চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়াী রাসেল হাওলাদারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করে যুবসমাজকে রক্ষা করবে।
কাউনিয়া থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার রাসেলের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তার ঘরে থাকা চায়ের ফ্লাস্ক থেকে দুই হাজার ৪ ৯০ পিস ইয়াবা, মাদক বিক্রির নগদ এক লাখ ৩ হাজার ২০০ টাকা ও পাঁচটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার স্ত্রী শিরিন বেগমকেও আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ইয়াবা বিক্রির জন্য লোকালয় থেকে বিচ্ছিন্ন এলাকায় থাকতেন রাসেল মেম্বার ও তার পরিবার। পারিবারিকভাবে মাদক ব্যবসা করেন তারা। এছাড়া শুধুমাত্র কাউনিয়া থানাতে রাসেলের নামে ১২টি মামলা রয়েছে।
কাউনিয়া থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আলম বলেন, আমি কাউনিয়া থানায় নতুন যোগদান করেছি। কিন্তু স্থানীয়ভাবে ইউপি সদস্য মোঃ রাসেল হাওলাদারের বিষয়টি শুনেছি, আমি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা নগরীর মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা করতে আছি, যারা যুবসমাজকে ধ্বংস করতে মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছেন। তাদের বিরুদ্ধে তালিকানুযায়ী অভিযান চালিয়ে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।