মুহাম্মদ বাদশা ভূঁইয়া:
সাবেক ফুটবলার মোস্তাক আহমেদ সুমন ৮ জানুয়ারি বিকেলে স্টক করলে তার স্বজনরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান।

সেখানে তিনি রিত্ক্রিয়া বন্ধ হয় ইন্তেকাল করেছেন, (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৫৪ বছর।
ফুটবলার মোস্তাক আহমেদ সুমন ইউনিয়নের দক্ষিণ বালিয়া গ্রাম ৭ নং ওয়ার্ডে মৃত, মুনসুর খান এর ছেলে।
বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারী) বাদ আসর ইউনিয়নের দক্ষিণ বালিয়া ৭ নং ওয়ার্ডে নিজ বাড়ির মসজিদ মাঠে মরহুমের জানাজার নামাজ আদায় শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
মোস্তাক আহমেদ সুমনের জানাজার নামাজে তার আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় মুসল্লি সহ বিভিন্ন দূর-দূরান্ত থেকে আগত শুভাকাঙ্ক্ষী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।
সাবেক সফল ফুটবলার মোস্তাক আহমেদ সুমনের জানাজার খবর শুনে স্থানীয় মুসল্লিদের পাশাপাশি অংশ নেন চাঁদপুর জেলা জামায়েত ইসলামীর সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়া, শহর জামাত ইসলামীর আমির এডভোকেট শাহজাহান খান, সদর উপজেলা জামায়াত ইসলামের আমির মাওলানা আফসার উদ্দিন মিয়াজী,১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন খান মপু, সাধারণ সম্পাদক তালহা ফারুকী সঞ্জয় পাটোয়ারী, যুগ্ম আহ্বায়ক মোরসেদ আলম ছৈয়াল, সদস্য সাব্বির আহমেদ মিয়া, ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক, মোঃ দেলোয়ার গাজী প্রমুখ।
জানাজার নামাজের ইমামতি করেন স্থানীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মোঃ আবুল কালাম।
জানাজা নামাজের পূর্বে জামায়াতে ইসলামীর নেতারা বলেন, “আল্লাহ তাআলা মৃত ব্যক্তির আত্মাকে শান্তি দিন এবং জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে অধিষ্ঠিত করুন।
যে, মৃত্যু একটি অপ্রতিরোধ্য বাস্তবতা এবং মুসলমানদের জন্য এটি একটি বড় শিক্ষার সময়।
মৃত ব্যক্তির পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়। নেতারা বলেন, “আল্লাহ আপনাদের ধৈর্য ধারণের শক্তি দিন এবং পরিবারের সকল সদস্যকে সান্ত্বনা দান করুন।”
“জানাজার নামাজের মাধ্যমে আমরা সবাই একত্রিত হচ্ছি এবং আমাদের উচিত একে অপরকে সহায়তা করা, যেন আমরা সবার জন্য একটি ভালো সমাজ গড়ে তুলতে পারি।”
জানাজার নামাজের মধ্যে আল্লাহর কাছে দোয়া করা হয় যাতে মৃত ব্যক্তি ক্ষমা পায় এবং তার পরিবার শান্তি পায়। “আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই বিপদ মোকাবিলা করার জন্য শক্তি দিন এবং মৃত ব্যক্তির জন্য মাগফিরাত করুন।