অনেকেই স্টার্চের পরিমাণের কারণে ভাত এড়িয়ে চলেন, তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন এটি সম্পূর্ণরূপে বাদ দেওয়ার কোনো দরকার নেই। পছন্দের খাবারের তালিকায় যদি আপনার ভাত থাকে তবে তা বাদ না দিয়েও ওজন কমানো সম্ভব। সেজন্য আপনাকে কিছু কিছু বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। নিয়মিত খাবারের তালিকায় ভাত রাখুন, শুধু এ বিষয়গুলো মেনে চললেই আর ওজন কমানো নিয়ে চিন্তিত হওয়ার দরকার হবে না জেনেনিন নেওয়াযাক সেগুলো কি-
১. রান্নার সঠিক পদ্ধতি বেছে নিন
ফ্রায়েড রাইসের পরিবর্তে সেদ্ধ করুন অথবা স্টিম রাইস বেছে নিন। অপনার বোনাস পয়েন্টের জন্য প্রচুর পানিতে ভাত রান্না করে এবং অতিরিক্ত পানি ঝরিয়ে স্টার্চ ছেঁকে নিন। যেমনটা আমাদের দেশে সাধারণত রান্না করা হয়। এভাবে রান্না করা খাবার খেলে বাড়তি ক্যালোরি কম যোগ হবে, পুষ্টিও অনেকটা কমে যাবে তাতে সন্দেহ নেই।
২. সঠিক পরিমান খান
আপনার খাবারের তালিকায় প্রতিদিন এক কাপ রাখুন। অতিরিক্ত না খেয়ে ভাত উপভোগ করার এটি সহজ উপায়। পরিমানের থেকে বেশি ভাত খেলে তখন তা ওজন বাড়ানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই ভাত পুরোপুরি বাদ না দিয়ে বরং পরিমান মতো খান। সেইসঙ্গে অলস জীবনযাপন এড়িয়ে চলুন। এতে ক্যালোরি জমে থাকার ভয় থাকবে না। এতে আপনার পছন্দের খাবার উপভোগ করেও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে।
৩. প্লেটে ভারসাম্য করুন
আপনার খাবারের থালায় যতটুকু ভাত নেবেন ততটুকু অথবা তার থেকে বেশি শাক-সবজি, ডিম, মাছ, মুরগি কিংবা ডাল নিন। অনেকে কেবল সামান্য তরকারি বা ভর্তা দিয়ে গোটা থালা ভাত খেয়ে নেন। এমনটা করবেন না। সুষম খাবার কেবল পুষ্টিকরই নয় বরং আপনাকে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরাতেও সাহায্য করে থাকে। এর ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেকটা সহজ হয়ে যাবে।
৪. ফাইবার ও প্রোটিন যোগ করুন
আপনার খাবার ভাতের সঙ্গে উচ্চ ফাইবারযুক্ত সবজি বা চর্বিহীন প্রোটিন মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি আপনাকে তৃপ্ত রাখবে এবং পরে অযথা খাবার খাওয়া থেকে বিরত রাখবে। তবে এ বিষয় খেয়াল রাখবেন, কখনোই অতিরিক্ত খাবার খাবেন না।
যেকোনো অতিরিক্ত খাবারই শরীরের জন্য ক্ষতিকর।