গত দুই মাস আগের তুলনায় মাছ-মাংসের দাম কিছুটা সাধ্যের মধ্যে আসায় স্বস্তি ফিরেছে নিন্ম-মধ্যবিত্তদের মধ্যে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আজকের বাজারে পাঙাস, তেলাপিয়া ও সরপুঁটি মাছ বিক্রি হচ্ছে দুইশ টাকার নিচে। এমনকি ব্রয়লার মুরগিও বিক্রি হচ্ছে দুইশো টাকার মধ্যেই। তবে গরু-খাসির মাংস অপরিবর্তিত রয়েছে বলেও বাজার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
বাজারের মাছ ও মাংসের দাম তুলনামূলক কম থাকায় স্বস্তি ফিরেছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের মধ্যে। শহিদুল ইসলাম নামক এক ভ্যানচালক বলেন, মাছ-মাংসের দাম কিছুটা কম থাকায় কোনোরকম খেয়েপরে পরিবার নিয়ে চলা যাচ্ছে। পাঙাস মাছ কিনেছি ১৮০ টাকা কেজি করে। এছাড়াও কিছু শাকসবজি কিনেছি। মাছসহ সবমিলিয়ে তিনশো টাকার করেছি, পুরো ব্যাগ ভরে গেছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার যদি বাজারের দিকে একটু নজর দেন, তাহলে জিনিসপত্রের দাম আরও কমে যাবে। এখন তো ব্যবসায়ীরা সুযোগ বুঝে দাম কমায় বাড়ায়। এই সরকারের কাছে আমাদের মতো মানুষের অনেক প্রত্যাশা।
বেসরকারি এনজিও কর্মী আশরাফুল ইসলাম বলেন, গরুর মাংস নিয়েছি ৭৫০ টাকায়। এটা একটু কমতে পারে। এর আগেও ৬৫০ টাকা করে বিক্রি করে মাংস বিক্রেতা খলিলসহ অনেকে দেখিয়ে দিয়েছেন। তাহলে অন্যরা কেন কমে বিক্রি করতে পারে না? সবকিছুই আসলে ব্যবসায়ীদের মর্জির ওপর নির্ভর করে।
মাছের দাম তুলনামূলক কম থাকায় ক্রেতাদের হাসিমুখে খুশি মাছ বিক্রেতা মোহাম্মদ শওকত মিয়া। তিনি বলেন, এ সপ্তাহে মাছের বাজারে দাম কিছুটা নিম্নমুখী, তবে বেচাকেনা আলহামদুলিল্লাহ ভালো। দাম একটু কম থাকলে সবসময়ই বেচাকেনা ভালো থাকে। অনেক সময় সকালেই সব মাছ বিক্রি হযে যায়, আবার বাজার বাড়তি থাকলে বফর দিয়ে পরদিনও বিক্রি করতে হয়।
মুরগির মাংস বিক্রেতা শফিক মিয়া বলেন, শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় অন্যান্য দিনের তুলনায় এই দিনে মুরগির চাহিদাটা একটু বেশিই থাকে। তবে দাম গত সপ্তাহের তুলনায় একটু কমেছে। গত সপ্তাহেও ২১০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি করেছি, আজকে ২০০ টাকায় দিয়ে দিচ্ছি। খামারি পর্যায়েই বেশি দামে কিনলে আমাদেরও দামটা বাড়াতে হয়, কমে আসতে পারলে কমেই বিক্রি করি। আলহামদুলিল্লাহ, ভালো বিক্রি হচ্ছে।