মোঃ আবু সাইদ শওকত আলী,
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মনির খান। তিনি ১৯৭২ সালের ১ আগস্ট ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার মদনপুর গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
মনির খানের শিক্ষাজীবনের শুরু নিজ গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। পরবর্তীতে হাকিমপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও পরে যশোরের চৌগাছা উপজেলার নারায়নপুর বহরাম উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেন। ১৯৮৭ সালে এখান থেকে মেট্রিক এবং ১৯৯০ সালে কোটচাঁদপুর ডিগ্রী কলেজে থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। ১৯৯২ সালে ঐ একই কলেজ থেকে তিনি ডিগ্রী পাস করেন।
১৯৮৯ সালে মনির খান খুলনা রেডিওতে অডিশন দিয়ে আধুনিক গানের শিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ১৯৯১ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত তিনি এখানে একজন নিয়মিত শিল্পী হিসেবে গান করেন।
গানের মাধ্যমে যার এতো পরিচিতি, নাম,যশ,খ্যাতি, তাঁর গানের গুরুর নাম না বললে রীতিমতো অন্যায় হবে। হ্যাঁ, তার গানের হাতে খড়ি এবং শিল্পী করে গড়ে তোলার কাজটা করেছেন বিখ্যাত গীতিকার, সুরকার ও শিল্পী : ইউনুস আলী মোল্লা। যাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমে মনির খান খুলনা বেতারের শিল্পী হিসেবে পরিচিতি পান।
১৯৯৬ সালে তোমার কোন দোষ নেই নামক একক অ্যালবাম নিয়ে সঙ্গীতাঙ্গনে পদার্পণ করেন।
এই এ্যালবামটি পস্তুতকালে যাদের শ্রম,মেধা,ভালোবাসা জড়িত তাদের অনেকেরই নাম সবার জানা নেই। তারা হলেন *মিল্টন খন্দকার, *কল্লোল খন্দকার, *পাপন চৌধুরী। তাদের অবদান ভুলবার নয়। আর মনির খান তাঁদের সবাইকে আজও অবধি যথেষ্ট মূল্যায়ন করে এবং মর্যাদার আসনে রেখেছেন। তাইতো সবার ভালোবাসা পেয়ে আজ নন্দিত মনির খান।
সুদীর্ঘ সঙ্গীত জীবনে তিনি ৪২টি একক অ্যালবাম এবং ৩০০ এর অধিক দ্বৈত ও মিশ্র অ্যালবাম প্ৰকাশ করেছেন। তিনি ৩ বার শ্রেষ্ঠ পুরুষ কণ্ঠশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। জন্মদিনে সাংবাদিক প্রেসক্লাব ঝিনাইদহ এর পক্ষ থেকে জানাই শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।