মেহেরব হোসেন খুলনা জেলা প্রতিনিধি:
কয়রা উপজেলার উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের বতুল বাজার এলাকার ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবু হাসানের বিরুদ্ধে অনুদান মূলক,ঘর দেওয়ার নাম করে অনিয়ম ও টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত।
অভিযোগ রয়েছে, অনুদান মূলক,ঘর দেওয়ার নাম করে তার ওয়ার্ডের বাসিন্দা নুর আহাম্মেদ আকন্দি(৬০)ও তার স্ত্রীর হালিমা খাতুন(৫৫)থেকে ৫-হাজার টাকা নেওয়া হইছে
তারা বলেন আমরা খুব গরীব মানুষ আমাদের সরকারি বেসরকারি সংস্থা কোন প্রকার অনুদান দেওয়া হয় না।
সরকারি খালের ভেতর খাসের জায়গায় ছোট্ট একটা কুঁড়েঘর-বেঁধে বসবাস,করছি আমাদের এলাকার প্রায় প্রত্যেকটা বাড়িতে অনুদান-১/২টা করে পানির ট্যাংক দেওয়া হইছে কিন্তু আমরা পাইনা
লবণ পানি খেয়ে কোনরকম ভাবে জীবন কাটিয়ে দিচ্ছি,আমাদের ছোট্ট কুঁড়েঘর থাকা সত্বে অনুদান,মূলক সুন্দর একটা ঘর পেলে সুন্দরভাবে বসবাস করতে পারবো।
এটা ভেবে ইউপি সদস্য আবু হাসানের ঘনিষ্ঠ কর্মী জাকির হোসেন(৩৪)পিতা মৃত্যু:রুহুল আমিন গাজী আমাদের বাড়িতে এসে অনুদান,মূলক ঘরের কথা বলে এবং ঘর নিতে হলে
৫-হাজার টাকা দিতে হবে বলে তাৎক্ষণিক
জাকির হোসেন ইউপি সদস্য আবু হাসানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে আবু হাসান বলেন উনাদের থেকে ৫-হাজার টাকা নিয়ে এসো কয়েক দিনের ভেতর একটা ঘর দেয়া হবে,এটা ভেবে- জাকির হোসেন কে ৫-হাজার টাকা দিয়ে দেন অনুমান গত-৩-থেকে-৫-বছর হয়ে গেছে ইউপি সদস্য আবু হাসান আমাদের থেকে ঘর দেওয়ার নাম করে টাকা নিছেন আমার স্ত্রী ঘরের জন্য বারবার তার কাছে গেলে তিনি বলেন ধৈর্য ধরো ঘর দেয়া হবে তিনি আরো বলেন তোমাদের ওই জায়গায় ঘর হবে না এভাবে বিভিন্ন অজুহাতে এড়িয়ে যান, তাদের টাকাও ফেরত দেন না বলে জানান।
অভিযোগকারীর ভিত্তিতে মুঠোফোনে ইউপি সদস্য আবু হাসানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমি তাদের থেকে টাকা নেইনি আমি এসব কাজ কখনো করিনি আর করব না উনাদের থেকে কে টাকা নিছে বা নেইনি এসব বিষয়ে আমি কিছু জানি না।একই সূত্রে জাকির হোসেনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমি তাদের থেকে টাকা নেইনি আমি তাদের বাড়িতে যাইনি এসব মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন।