গতকাল শনিবার (০৬ মার্চ) ইরানের আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজের এক প্রতিবেদনে আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কিওমার্স হায়দারির বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
হায়দারি জানান, ওয়াশিংটন বা তেল আবিবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মিত্রতা নেই- এমন রাষ্ট্রগুলোর জাহাজ চলাচলে কোনো বাধা দেওয়া হবে না। তবে পশ্চিমা দেশ ও তাদের সহযোগীদের জন্য এই রুটটি কার্যত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বাণিজ্যের প্রায় ২০ শতাংশই সম্পন্ন হয় পারস্য উপসাগর ও আরব সাগরকে সংযুক্তকারী এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে। মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর রপ্তানি সচল রাখার প্রধান পথ হওয়ায় একে বিশ্ব অর্থনীতির ‘জ্বালানি প্রবেশদ্বার’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই পথ রুদ্ধ হলে পশ্চিমা বিশ্বে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা চরম সংকটের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।