By using this site, you agree to the Privacy Policy and Terms of Use.
Accept
বাংলাদেশ নিউজ টুডেবাংলাদেশ নিউজ টুডেবাংলাদেশ নিউজ টুডে
  • হোম
  • শীর্ষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
    • ঢাকা বিভাগ
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
    • সিলেট বিভাগ
    • রাজশাহী বিভাগ
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
    • খুলনা বিভাগ
    • বরিশাল বিভাগ
    • রংপুর বিভাগ
  • আইটি বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  • অন্যান্য
    • সম্পাদকীয়
    • আইন ও আদালত
    • চাকরির খোঁজ
    • আবহাওয়ার খবর
    • ক্যাম্পাস
    • অন্যরকম খবর
    • দুর্ঘটনা
    • কবি ও কবিতা
    • ফটোগ্যালারী
    • ট্রাভেল
    • ফ্যাশন
    • ধর্ম ও জীবন
    • প্রবাসীর খবর
    • ভাইরাল ভিডিও
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • রন্ধন শৈলী
    • লাইফ স্টাইল
    • শিক্ষাঙ্গন
    • জনমত
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • সাক্ষাৎকার
Reading: সাতক্ষীরায় তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে আসামির ঘোরাঘুরি,গ্রেপ্তার করতে বলায় বাদিকে হুমকি দিয়ে এলাকা ছাড়া
Share
Notification Show More
Font ResizerAa
বাংলাদেশ নিউজ টুডেবাংলাদেশ নিউজ টুডে
Font ResizerAa
  • হোম
  • শীর্ষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
  • আইটি বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  • অন্যান্য
  • হোম
  • শীর্ষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
    • ঢাকা বিভাগ
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
    • সিলেট বিভাগ
    • রাজশাহী বিভাগ
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
    • খুলনা বিভাগ
    • বরিশাল বিভাগ
    • রংপুর বিভাগ
  • আইটি বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  • অন্যান্য
    • সম্পাদকীয়
    • আইন ও আদালত
    • চাকরির খোঁজ
    • আবহাওয়ার খবর
    • ক্যাম্পাস
    • অন্যরকম খবর
    • দুর্ঘটনা
    • কবি ও কবিতা
    • ফটোগ্যালারী
    • ট্রাভেল
    • ফ্যাশন
    • ধর্ম ও জীবন
    • প্রবাসীর খবর
    • ভাইরাল ভিডিও
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • রন্ধন শৈলী
    • লাইফ স্টাইল
    • শিক্ষাঙ্গন
    • জনমত
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • সাক্ষাৎকার
Have an existing account? Sign In
Follow US
  • Advertise
© 2022 Foxiz News Network. Ruby Design Company. All Rights Reserved.
খুলনা বিভাগসারাদেশ

সাতক্ষীরায় তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে আসামির ঘোরাঘুরি,গ্রেপ্তার করতে বলায় বাদিকে হুমকি দিয়ে এলাকা ছাড়া

নিউজ ডেস্ক
Last updated: মার্চ 7, 2026 7:23 অপরাহ্ন
নিউজ ডেস্ক 2 মাস ago
Share
SHARE

স্টাফ রিপোর্টারঃ

হানি-ট্রাপ চক্রের মূলহোতা একাধিক মামলার আসামি কাদের-রিমা গংরা চাঁদাবাজি ও পর্ণোগ্রাফি মামলার আসামি হয়েও তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। নির্বিঘ্নে যাচ্ছে থানা, ফাঁড়িতে। আবার পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কখনো চলছে চা চক্র। তারপরও আসামিরা অধরা। মামলা হওয়ার ৬ মাসেও আসামি খুঁজে পান না মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাতক্ষীরা সদর থানার এস,আই পিংকু মন্ডল। আসামি ধরতে বলায় হুমকি দিয়ে বাঁদি হান্নান সরকারকে এলাকা ছাড়া করেছে এই চক্রটি।সাতক্ষীরায় হানি ট্রাপ বা মধু কুঞ্জে মধুচক্রের ফাঁদে ফেলে হান্নান সরকার নামে ঔষধ কোম্পানির এক কর্ম কর্তাকে ভাড়া বাসায় ডেকে নিয়ে নির্যাতন করে নগ্ন ভিডিও ধারনের ফাঁদে ফেলে ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় পর্ণোগ্রাফি ও চাঁদাবাজির মামলার আসামি কাদের-রিমা গংরা থানার সামনে রমজান মাসে মঞ্জিতপুর ঈদগাহের পাশে ভাড়া বাসায় বহাল তবিয়াদে মধুচক্রের ব্যবসা চালিয়ে ও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশের বিরুদ্ধে গ্রেফতার না করার এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে । মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাতক্ষীরা সদর থানার কাঠিয়া পুলিশ ফাঁড়ির উপ- পরিদর্শক পিং যতকু মন্ডলের নিকট জানতে চাইলে তিনি প্রথমে কিছু জানেন না বলে সাংবাদিকদের জানান। পরে সাংবাদিক পরিচয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে স্বীকার করেন । তবে মামলা হওয়ার ৬ মাসেও আসামী গ্রেফতারের ব্যাপারে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি বরং আসামিদের নিকট থেকে মোটা অংকের সুবিধা নিয়ে তাদের গ্রেফতার না করে বহাল তবিয়াদে থানার নাকের ডগায় প্রকাশ্যে মধু কুঞ্জের রমরমা ব্যবসা করার সুযোগ করে দিয়েছে। গত ২০২৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর রাজশাহী জেলার পুটিয়া থানার ধাঁদাশ গ্রামের এবং সাতক্ষীরা পাটকেলঘাটা বলফিল্ড গ্রামের আবুল কালামের বাসার ভাড়াটিয়া ওসমান আলীর পুত্র মাল্টি হেলথ লিমিটেডের আঞ্চলিক কর্মকর্তা হান্নান সরকারের দায়ের করা পর্ণোগ্রাফি ও চাঁদাবাজির (১৯ নং) মামলার আসামি হয়েও উল্টো বাঁদিকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য অব্যাহত হুমকিতে বাঁদিকে এলাকা ছাড়া করেছে বলে ভুক্তভোগী জানান। ঐ সময় চক্রের হোতা সাতক্ষীরা সদর থানার তুজুলপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী মনজিয়া খাতুনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করলেও বাকিরা পালিয়ে যায়। হানি- ট্রাপ চক্রের অন্যান্য আসামিরা হলো মনজিয়া খাতুনের স্বামী আনোয়ার হোসেন, মধ্য কাটিয়া গ্রামের আবুল কাশেমের পুত্র সিরাজুল ইসলাম মিন্টু, কালিগঞ্জ থানার বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য ও মুকুন্দ মধুসূধনপুর গ্রামের এলাহি বক্স গাজীর পুত্র একাধিক বিয়ে ও মামলার আসামি হানি ট্রাপ চক্রের মূল হোতা আব্দুল কাদের ও তার তালাক দেওয়া স্ত্রী মধুকুঞ্জের মক্ষি রানি শারমিন আক্তার রিমা এবং কথিত সাংবাদিক পরিচয়দানকারী ফজর আলী গং সহ আরো ৪/৫ জন। এই চক্রের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা সদর থানা সহ বিভিন্ন থানায় পর্নোগ্রাফি ও চাঁদাবাজির একাধিক মামলা রয়েছে। সাতক্ষীরা শহরে এখন নতুন এক আতঙ্কের নাম হানি ট্রাপ বা পুরুষ ধরার ফাঁদ। শহরের কাটিয়া মনজিত পুর, কামান নগর, বকচর, পলাশপোল, বাগানবাড়ি ,আমতলা এলাকায় বাসা বাড়ি ও আবাসিক হোটেলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে এই চক্রের অদৃশ্য আস্তানা। বাইরে থেকে সবকিছু স্বাভাবিক মনে হলেও ভেতরে চলছে ফাঁদ পেতে মানুষকে সব শান্ত করার খেলা। সক্রিয় এ চক্র একের পর এক মানুষকে কৌশলে ফাঁদে ফেলে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। সরকারি চাকরিজীবী, কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, প্রবাসী ,পুলিশ কর্মকর্তা ও প্রভাবশালী ব্যক্তির সন্তানরা এই চক্রের ফাঁদে পড়ছেন। ভুক্তভোগীরা জানান সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে অথবা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে প্রথমে সম্পর্কের সূত্রপাত ঘটায়। প্রথমে পরিচিত, পরে কৌশলে প্রেম বা বন্ধুত্বের জালে ফাঁসানো হয়। এক সময় নির্জন স্থানে দেখা করার প্রলোভন দেওয়া হয়। দেখা করতে গেলে নিয়ে যাওয়া হয় কোন ভাড়া করা বাসা বাড়ি, কিংবা শহরের আবাসিক হোটেলের কক্ষে। সেখানে পূর্ব থেকে প্রস্তুত থাকে কিছু রাজনৈতিক নেতা, অসাধু পুলিশ ও কথিত সাংবাদিক নামধারী ব্যক্তি। এরপর শুরু হয় সাংবাদিক পরিচয়ে ভিডিও ধারণ রাজনৈতিক পরিচয় হুমকি, ধামকি, মারপিট ও পুলিশ পরিচয়ে গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার বাণিজ্য। মামলার বাদি হান্নান সরকার এ প্রতিনিধিকে জানান আমার এক বন্ধুর মাধ্যমে প্রথমে এই চক্রের মক্ষীরানী শারমিন আক্তার রিমার সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) পরিচয় হয়। পরে তার ব্যবহৃত ০১৭২৬৮০৭৬৪২ নং মোবাইলে কথা বললে সাতক্ষীরায় দেখা করতে বলে। বিশেষ কাজে সাতক্ষীরা এসে ফোন দিলে গত ১২/৯/২৫ ইং তারিখে বেলা আনুমানিক ১ টার দিকে সাতক্ষীরা সরকারি স্কুল মাঠের পাশে দেখা করলে সে উত্তর কাটিয়া (গণ মুখী মাঠের উত্তর, পশ্চিম পাশে) ডাঃ পিয়ালের ভাড়া বাসার নিচ তলায় নিয়ে যায়। বাড়িতে যাওয়ার পর সেখানে পূর্ব থেকে থাকা মনজিয়া খাতুন ঘরে বসতে দিয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরে এবং পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে কাদের ,আনোয়ার হোসেন এবং কথিত সাংবাদিক ফজর আলী আমাকে বিবস্ত্র করে ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে থাকে। ওই সময় তারা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে( ফেসবুকে) ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয় এবং আমার বিকাশে থাকা আরও ৩০ হাজার টাকা ০১৭৬১৮৮২১৪০ নাম্বারে বিকাশ করে নেয়। এই ভাবে আমার নিকট থেকে ৮০ হাজার টাকা, নিয়ে অলিখিত স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে বিকাল পৌনে ৩ টার দিকে ছেড়ে দেয়। বিষয়টি পার্শ্ববর্তী কাঠিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে জানিয়ে থানায় এসে পর্নোগ্রাফি ও চাঁদা বাজির মামলা দায়ের করি। মামলা নং ১৯।

এ চক্রটির মক্ষ্মী রানী শারমিন আক্তার রিমা এর আগে কালিগঞ্জ উপজেলার নাজিমগঞ্জ বাজারের এক কসমেটিক্স দোকানে কেনাকাটার সুবাদে মালিকের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলে সাড়ে ৫ হাজার টাকার মালামাল বাকি নেয়। উক্ত টাকা দেওয়ার জন্য গত ২০২৫ সালের ১ এপ্রিল সাতক্ষীরা কাটিয়া সরকার পাড়ার আশরাফ উদ্দিনের ভাড়া বাড়িতে বেলা সাড়ে ৫ টার দিকে ডেকে নেয়। সেখানে যাওয়া মাত্র পূর্ব থেকে ঘরের মধ্যে থাকা একটি মেয়ের পাশে বসতে দিয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে শারমিন আক্তার রিমা ও তার স্বামী ইউপি সদস্য আব্দুল কাদের ,দেবহাটা থানার পুষ্প কাটি গ্রামের বিএনপি নেতা বাবলুর রহমান ও কথিত সাংবাদিক ফজর আলী মিলে ওই ব্যবসায়ীকে বেধড়ক পিটিয়ে বিবস্ত্র করে নগ্ন ভিডিও ধারণ করে ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে ৩ টি সাদা নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে রাত ১০ টার সময় ছেড়ে দেয়। বিষয়টি সাথে সাথে তৎকালীন জেলা পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামানকে জানালে ডিবি পুলিশের তৎপরতায় স্ট্যাম্প ৩ টি উদ্ধার করে থানায় মামলা করতে নির্দেশ দেন। উক্ত ঘটনায় রিমা আক্তার শারমিনকে ১ নং আসামি করে তার স্বামী আব্দুল কাদের ,বিএনপি নেতা বাবলুর রহমান ও কথিত সাংবাদিক ফজলুর রহমান সহ এই চক্রের ৪/৫ জনের নামে ৫ এপ্রিল সাতক্ষীরা সদর থানায় পর্নোগ্রাফি ও চাঁদাবাজির মামলা হয়। মামলা নং -৪। উক্ত মামলায় মূল হোতা, আব্দুল কাদের র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন জেল হাজত খেটে জামিনে মুক্তি পায়। বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য ও সাবেক জাতীয় পার্টি এমপি এইচ এম গোলাম রেজার একান্ত সহযোগী আবদুল কাদেরের স্ত্রী সন্তান থাকতে শারমিন আক্তার রিমার সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে স্বামী নাজিমুদ্দিন কে সহিংস মামলায় পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়ে কাদের সঙ্গে বিয়ে করে। কে এই রিমা ? মুকুন্দ মধুসূদনপুর গ্রামের আছের আলী খাঁর মেয়ে জাহানারা খাতুনের সঙ্গে শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের খলিশা বুনিয়া গ্রামের মিজানুর রহমানের সঙ্গে বিয়ে হয়। ১৯৯১ সালের ১১ মার্চ শারমিন আক্তার রিমার জন্ম হয়। দু’বছর যেতে না যেতেই জাহানারা ভাসুর গোলাম মোস্তফার পরকীয়া জড়িয়ে পালিয়ে বাপের বাড়িতে এসে স্বামী মিজানুর রহমানকে তালাক দেন। সেখান থেকে পরকীয়া প্রেমিক মোস্তফা ৫ বছর পর চলে যাওয়ায় শারমিন আখতার কে নিয়ে মুকুন্দ মধুসূদনপুর গ্রামে বাবার বাড়িতে অদ্যবধি আছে। এই মক্ষি রানী শারমিন আক্তার রিমার সঙ্গে প্রথমে কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর গ্রামের মনো মোড়লের পুত্র এশার আলীর সঙ্গে বিয়ে হয়। বছর না ঘুরতেই এশার আলীকে তালাক দিয়ে মায়ের কাছে চলে আসে। পরে মুকুন্দ মধুসূদনপুর গ্রামের মোহর আলীর ছেলে নাজিমুদ্দিনের সঙ্গে বিয়ে করে। সেখানে সৌরভ হোসেন নামে রিমার একটি ছেলে আছে ।সে এবার চৌমুহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি নাজিমুদ্দিন কে তালাক দেওয়ার কয়েক মাস পর একই গ্রামের রাজ্জাক মোড়লের পুত্র মমতাজুলের সঙ্গে শারমিন আক্তার রিমার বিয়ে হয়। বিয়ের বছর না ঘুরতেই তাকে তালাক দিয়ে পরকীয়ায় ইউপি সদস্য কাদেরকে বিয়ে করে। এরপর মেলা মেশার অন্তরঙ নগ্ন ভিডিও ধারণ এবং ৩ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ২০২২ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা ৮ নং ওয়ার্ডের বিবাহ রেজিস্টারের মাধ্যমে কাদেরকে তালাক দেয়। এরপর ঐ নগ্ন ভিডিও ব্যবহার করে কালীগঞ্জে বাসা ভাড়া নিয়ে প্রাক্তন স্বামী কাদের তাকে প্রতিনিয়ত ধর্ষণ করতো। উক্ত ঘটনা হতে পরিত্রাণ পেতে কালীগঞ্জের এক সাংবাদিকের নিকট সহায়তা চেয়ে সাতক্ষীরায় ডেকে এনে জোর পূর্বক রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে একটি হোটেলের রুমে আটকে রেখে মারপিট ও নগ্ন ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাড়িয়ে দিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা আদায়ের ঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় ভুক্তভোগী ঐ সাংবাদিকের স্ত্রী বাদী হয়ে গত ৪/৫/২৩ ইং তারিখে পর্নোগ্রাফি ও চাঁদাবাজির ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ৯। ওই মামলায় মক্ষী রানী শারমিন আক্তার রিমা ৩ মাস জেল হাজতবাস করে। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা লম্পট কাদের ও রিমার নামে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর হতে কাদের- রিমা জুটি এলাকা ছেড়ে সাতক্ষীরা সহ বিভিন্ন জায়গায় বাসা, হোটেল ভাড়া নিয়ে কতিপয় রাজনৈতিক ব্যক্তির ছত্রছায়ায় পুরুষ ধরার ফাঁদে হানি ট্রাপ চক্রের আস্তানা গড়ে তোলে । এরপর হতে বিভিন্ন দালাল,মোবাইল ,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষদের টার্গেট করে আস্তানায় এনে নগ্ন ভিডিও ধারণ করে মোটা অংকের টাকা আদায় করে প্রশাসনকে লাল কার্ড দেখি আসছে। এ পর্যন্ত এই হানি ট্রাপের ফাঁদে পড়ে ৩ জন পুলিশ পরিদর্শক ও ৪ জন উপ-পরিদর্শক কাদের- রিমার মধু কুঞ্জে লাখ লাখ টাকা খোয়ালেও মান সম্মান সামাজিক মর্যাদার দিকে তাকিয়ে চাকরি হারানোর ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি। কয়েক মাস আগে এই চক্রের সাথে জড়িত একজন পুলিশ সদস্যে চাকরি হারিয়েছেন। গতকাল বুধবার রাতে সাতক্ষীরা সদর থানার সামনে এবং নবজীবন স্কুলের রাস্তার পাশে তাদেরকে খরিদ্দারের খোঁজে দেখা গেছে। চক্রটির গ্রেপ্তার দাবিতে জেলা প্রশাসকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে সাতক্ষীরা বাসি।

You Might Also Like

প্রি-শিপমেন্ট ঋণ চালু: রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন গতি আসার প্রত্যাশা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩ বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমান ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ

কালিগঞ্জের ডিআরএম কলেজের অধ্যক্ষ আবুল বাশার বরখাস্ত

ডুমুরিয়ায় এসিআই বীজ কোম্পানির বন্ধু ধানের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে যানজট নিরসনে আঞ্চলিক সড়কে উচ্ছেদ অভিযান

Share This Article
Facebook Twitter Email Print
Previous Article দর্শকদের চমকে দিতে আসছেন শাহরুখ
Next Article ছুটির দিনেও কার্যালয়ে ব্যস্ত সময় পার করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
Leave a comment

মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

বাংলাদেশ নিউজ টুডেবাংলাদেশ নিউজ টুডে
Follow US
© ২০২৫ , বাংলাদেশ নিউজ টুডে।
  • হোম
  • শীর্ষ সংবাদ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
  • আইটি বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
  • অন্যান্য
Welcome Back!

Sign in to your account

Lost your password?