নিউজ ডেস্কঃ
ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে কয়েক দিনের মধ্যেই তেলের সংরক্ষণ ক্ষমতা পূর্ণ হয়ে যাবে বলে দাবি করেছেন স্কট বেসেন্ট। তিনি জানান, দেশটির বন্দরগুলোতে জাহাজ চলাচল সীমিত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ অব্যাহত রয়েছে।
মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বেসেন্ট বলেন, মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধের ফলে ইরানের তেল রফতানিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি হচ্ছে। এতে অল্প সময়ের মধ্যেই খার্গ দ্বীপের সংরক্ষণাগার পূর্ণ হয়ে পড়তে পারে এবং উৎপাদনেও প্রভাব পড়বে।
তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের সামুদ্রিক বাণিজ্য সীমিত করা হলে দেশটির প্রধান আয়ের উৎসে সরাসরি আঘাত লাগবে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ দপ্তর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তেহরানের অর্থনৈতিক সক্ষমতা দুর্বল করতে কাজ করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পারস্য উপসাগরের কৌশলগত দ্বীপ খার্গ ইরানের তেল রফতানির প্রধান কেন্দ্র, যা দেশটির অর্থনীতির বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে।
যদি দীর্ঘমেয়াদে অবরোধ কার্যকর থাকে, তবে ইরানকে উৎপাদন কমাতে বা সীমিত করতে হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, পূর্ণ অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করতে হলে এই অবরোধ দীর্ঘ সময় ধরে বজায় রাখতে হবে।