দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য প্রয়োজন। একই সঙ্গে দেশ যেন দীর্ঘমেয়াদি সংকটে না পড়ে, সে জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যের পথে এগোতে হবে।
সভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আন্দোলনের প্রধান শক্তি জনগণ। কিন্তু এই জনগণ থেকে যদি কেউ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তাহলে মানুষের মনে ক্ষোভ তৈরি হয়। জনগণকে দীর্ঘদিন ক্ষমতাহীন করে রাখা ঠিক না। সামগ্রিক বাস্তবতায় বিএনপির ৩১ দফার আলোকে সমঝোতা প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে ভাবতে হবে।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে সমঝোতা ছিল, সেটাকে নতুন করে সংগঠিত করা দরকার।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অনৈক্য বাড়তে থাকলে আওয়ামী লীগের ফিরে আসার সম্ভাবনাও বাড়তে থাকবে বলে মন্তব্য করেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি বলেন, যে আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদকে বিদায় করা হয়েছে, সেই অর্জন রক্ষা করতে হবে এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে ঐক্য ধরে রাখতে হবে। সরকারের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যেন এটা প্রকাশ না পায় যে তারা বিশেষ কোনো দল বা গোষ্ঠীর প্রতি পক্ষপাত করছে।
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের অর্থবিষয়ক সমন্বয়ক দিদারুল ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য দেন আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন প্রমুখ।