
মোঃ খান সোহেল নেত্রকোনা প্রতিনিধি
নেত্রকোনা থেকে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দীন আহমেদসহ প্রার্থীরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নেত্রকোনা জেলার ৫টি আসনের মধ্যে ৩টি আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিকেলে ঢাকার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।
সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দীন আহমেদ এবং ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফুল আলম।
সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনের প্রার্থীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মোঃ আশরাফ উদ্দিন খান, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এটিএম আব্দুল বারী ড্যানী, জেলা বিএনপির বর্তমান সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোঃ আনোয়ারুল হক, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. আরিফা জেসমিন নাহীন, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ডা. মো. দেলোয়ার হোসেন টিটো ও ঢাকা বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম মিয়া।
নেত্রকোনা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের প্রার্থীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- শিল্পপতি ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ আলমগীর খসরু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. রফিকুল ইসলাম হিলালী, জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা কেন্দ্রীয় জিয়া পরিষদের সহকারী মহাসচিব রোটারিয়ান এম নাজমুল হাসান, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি ডিজেডএম হাসান বিন শফিক সোহাগ ও মেজর অব. সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক।
নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের প্রার্থীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের তালুকদার ও পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বাবুল আলম তালুকদার।
বৈঠকের শুরুতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দীন আহমেদ ব্যক্তিগতভাবে কয়েকজনের নাম ধরে পরিচয় জানতে চান।
এরপর তিনি জানান, এ তালিকাটি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মাঠ পর্যায়ের জরিপ ও কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে তৈরি করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আপনারা যারা আজ সাক্ষাৎকারে এসেছেন, তারা সসবাই দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য কাজ করছেন। এ কারণেই আপনাদের নাম তালিকায় এসেছে।
সবাই যোগ্য হলেও দুঃখের বিষয় হলো, প্রত্যেক আসনে মনোনয়ন দেওয়া হবে মাত্র একজনকে। এই সিদ্ধান্ত নেবেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।’
তিনি আরও বলেন, ‘সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় মাঠ পর্যায়ের কর্মকাণ্ড, জনপ্রিয়তা, জনসম্পৃক্ততা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দলের প্রতি আনুগত্য – এসব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে।’