সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শনিবার ১৯ জুলাই জামায়াতের সমাবেশ থেকে যেসব দাবি জানানো হবে তা সংবাদ সম্মেলনে জানালেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি বলেন, আমাদের এবারের সমাবেশ আয়োজনের বেশ কিছু উদ্দেশ্য রয়েছে।প্রথমত হলো নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য রাজনৈতিকভাবে প্রয়োজনীয় মাঠের সমতা নিশ্চিতের দাবি জানানো।দ্বিতীয়ত জুলাই অভ্যুথানে যারা শহীদ হয়েছেন,এই হত্যার বিচার নিশ্চিত করা।তাদের পুনর্বাসন,চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।তৃতীয়ত নির্বাচন সুষ্ঠু করার প্রয়োজনে যাবতীয় সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে হবে।চতুর্থত সং্খ্যানুপাতিক নির্বাচনের (পিআর) যাতে আয়োজন করা হয়,সে দাবি আমরা তুলবো।প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে,তারা যাতে বিদেশ থেকে ভোটধিকার নিশ্চিত করতে পারে,সে দাবিটি উঠে আসবে।এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন,স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়টিও উঠে আসবে।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন
তিনি বলেন,স্বাধীনতার ৫৪ বছর জামায়াতে ইসলামী নানাভাবে মজলুম হয়েছে,রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছে।২৪ এর গনঅভ্যুথানের আমরা বাকস্বাধীনতা,রাজনৈতিক অধিকার চর্চার সুযোগ পেয়েছি।আর এ কারনেই আমরা আগামী ১৯ জুলাই রাজনৈতিক সমাবেশের আয়োজন করতে যাচ্ছি।সমাবেশে আমরা সব রাজনৈতিক শক্তিকে আমন্ত্রন জানিয়েছি।
তিনি আরো বলেন,আমাদের এবারের সমাবেশ আয়োজনের বেশ কিছু উদ্দেশ্য রয়েছে।প্রথমত হলো নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য রাজনৈতিকভাবে প্রয়োজনীয় মাঠের সমতা নিশ্চিতের দাবি জানানো।দ্বিতীয়ত জুলাই অভ্যুথানে যারা শহীদ হয়েছেন,এই হত্যার বিচার নিশ্চিত করা।তাদের পুনর্বাসন,চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।তৃতীয়ত নির্বাচন সুষ্ঠু করার প্রয়োজনে যাবতীয় সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে হবে।চতুর্থত সং্খ্যানুপাতিক নির্বাচনের (পিআর) যাতে আয়োজন করা হয়,সে দাবি আমরা তুলবো।প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে,তারা যাতে বিদেশ থেকে ভোটধিকার নিশ্চিত করতে পারে,সে দাবিটি উঠে আসবে।এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন,স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়টিও উঠে আসবে।
গোলাম পরওয়ার বলেন,সমাবেশ আয়োজনের জন্য ইতিমধ্যে কমিটি ও উপকমিটি গঠনসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা গ্রহন করা হয়েছে।নিরাপত্তা নিশ্চিতে জন্য স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার,পুলিশ কমিশনারের নিকট সহযোগিতা কামনা করেছি।তারা সর্বোচ্চ সহোযোগিতার নিশ্চয়তা দিয়েছেন।
তিনি আরো বলেন,বিপুল পরিমান জনসমাগমের জন্য রাজধানীতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ ও যানজট সৃষ্টি হতে পারে।এ জন্য আমি আগেই দেশবাসীর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করছি।আমরা দেশ ও মানুষের কল্যানের জন্যই কাজ করি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নুরুল ইসলাম বুলবুল, উত্তরের আমীর সেলিম উদ্দিন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি জেনারেল শফিকুল ইসলাম মাসুদ, শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, ইয়াছিন আরাফাত প্রমুখ।