আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
ইরানের ওপর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করছে। পাল্টা জবাবে তেহরানও কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনায় ধারাবাহিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিশোধমূলক হামলার অংশ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনাকেও লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলে দাবি করছে ইরানের সামরিক বাহিনী। এতে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নতুন করে অস্থিতিশীলতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের সঙ্গে ইরানের এই সংঘাত মঙ্গলবার (১০ মার্চ) পর্যন্ত ১১তম দিনে গড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি বা উত্তেজনা প্রশমনের কোনো সুস্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
এদিকে চলমান এই সংঘাতের মধ্যে রাশিয়া পরোক্ষভাবে লাভবান হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা। ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতদের উদ্দেশে দেওয়া এক বক্তৃতায় তিনি বলেন, ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তেলের দাম বাড়ছে, যা রাশিয়ার জন্য অর্থনৈতিকভাবে সুবিধাজনক হয়ে উঠেছে।
কস্তার ভাষায়, “জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে রাশিয়া অতিরিক্ত অর্থনৈতিক সুবিধা পাচ্ছে, যা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে তাদের চলমান যুদ্ধ চালিয়ে যেতে নতুন আর্থিক সক্ষমতা যোগাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়বে এবং এর প্রভাব আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও ভূরাজনীতিতে আরও গভীরভাবে প্রতিফলিত হতে পারে।