নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভাজন নয়, বরং শান্তি, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে ঐক্যের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
বুধবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে বিভক্তিমূলক রাজনীতি পরিহার করে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও পারস্পরিক সম্মান ও সহনশীলতার চর্চাই হতে পারে গণতন্ত্রের মূল শক্তি।
তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের আন্দোলনে শহীদদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানাতে হলে রাজনৈতিক পরিসরে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা জরুরি। অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হলে তা পলাতক স্বৈরাচারী শক্তির জন্য সুযোগ তৈরি করতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
ইশরাক হোসেন বলেন, অতীতের নেতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে একটি সুস্থ, পরিমিত ও দায়িত্বশীল পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। ‘আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি—সামনে আরও সময় আছে কথা বলার। তাই একে অপরকে ছোট না করে ঐক্যের রাজনীতিই হওয়া উচিত আমাদের লক্ষ্য।’
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যাচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—এ জন্য সব পক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য।