নিজস্ব প্রতিবেদক: ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের আমলে তাদের ছাত্রলীগ ও যুবলীগের অত্যাচারে অতিষ্ঠ জনগণের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ৫ই আগস্টের বিপ্লব ঘটে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, এখনও বিভিন্ন স্থানে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নাম ভাঙিয়ে পাতি নেতারা প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মহা উৎসব চালিয়ে যাচ্ছে। এমনই এক ব্যক্তির নাম বিপুল, যিনি নিজেকে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে জড়িত।

বিপুলের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি গুরুতর অভিযোগ উঠে এসেছে। অভিযোগে জানা যায়, তিনি নিজেকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডিজি মহোদয় ও পানি ভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করেন। সারাদেশের বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে তিনি যুবদলের নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে তাদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ইতিমধ্যে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
একজন অভিযোগকারী মিজানুর রহমান জানান, বিপুল তাকে একটি টেন্ডারের কাজ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে বিশাল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়। কিন্তু কাজ না দেওয়ায় মিজানুর রহমান টাকা ফেরত চাইলে বিপুল তাকে হুমকি দেয়। মিজানুর রহমান যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে অভিযোগ করলে তারা জানান, বিপুলের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে এবং তিনি যুবদলের সাথে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নন। তারা তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার পরামর্শ দেন।
পানি ভবনে অনুসন্ধান করে জানা যায়, বিপুলের পানি ভবনের কোনো কর্মকর্তার সাথে কোনো যোগাযোগ নেই। এভাবে তিনি অনেক লোককে প্রতারণা করে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতাদের উচিত এ ধরনের প্রতারকদের দল থেকে বহিষ্কার করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা। অভিজ্ঞ মহল মনে করেন, এ ধরনের প্রতারণা বন্ধ করতে দলীয় শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা জোরদার করা প্রয়োজন।