নিজস্ব প্রতিনিধি :
স্বাধীন সাংবাদিকতা, তথ্য অধিকার ও গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থি আখ্যা দিয়ে নির্বাচন কমিশনের সদ্যঘোষিত সাংবাদিক পর্যবেক্ষণ নীতিমালার তীব্র সমালোচনা করেছে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি)। সংগঠনটি এ নীতিমালাকে অবিলম্বে স্থগিত করে সংশোধনের দাবি জানিয়েছে এবং এ লক্ষ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের কাছে একটি স্মারকলিপি পেশ করেছে।
বুধবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে গিয়ে সিইসির কার্যালয়ে এ স্মারকলিপি তুলে দেন আরএফইডির সভাপতি কাজী জেবেল, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা।
স্মারকলিপিতে চারটি প্রধান আপত্তির কথা জানানো হয়, ১. নীতিমালা তৈরির আগে গণমাধ্যম পেশাজীবীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি; ২.ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের প্রবেশে সময় ও সংখ্যাগত সীমা আরোপ করা হয়েছে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক; ৩. নির্বাচনী সময় সাক্ষাৎকার গ্রহণ ও সরাসরি সম্প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে; ৪. সাংবাদিকদের নিরাপত্তা উপেক্ষা করে একতরফাভাবে শাস্তিমূলক ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে এক আলোচনা সভায় আরএফইডির সভাপতি কাজী জেবেল নির্বাচন কমিশনকে ১৫ দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, এ সময়ের মধ্যে নীতিমালাটি সংশোধন না করা হলে সংগঠন পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবে। তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনুরোধ জানান, জনস্বার্থ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে অবিলম্বে নীতিমালাটি স্থগিত করা হোক।
আরএফইডি নেতারা বলেন, সাংবাদিকদের ওপর আরোপিত এমন বিধিনিষেধ কেবল নির্বাচন পর্যবেক্ষণের স্বচ্ছতা ক্ষুণ্ণই করবে না, বরং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপরও একধরনের চাপ তৈরি করবে।