ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি :
দীর্ঘদিন পর আবারও চালু হচ্ছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তি পরীক্ষা। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে বার্ষিক পরীক্ষার পর পৃথকভাবে এ পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। তবে সবাই নয়, শুধু নির্বাচিত শিক্ষার্থীরাই অংশ নিতে পারবে এই পরীক্ষায়।
নীতিমালা অনুযায়ী, দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পিটিআই সংলগ্ন পরীক্ষণ বিদ্যালয় এবং সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংলগ্ন প্রাথমিক শাখার শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। তবে প্রতিটি বিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে মনোনীত করা হবে প্রথম সাময়িক (প্রথম প্রান্তিক) পরীক্ষার মেধাক্রম অনুযায়ী।
বেসরকারি বা কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীদের জন্য এবারের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়নি। বাছাইকৃত শিক্ষার্থীদের তথ্য ২৪ জুলাইয়ের মধ্যে নির্ধারিত ছকে প্রেরণ করতে হবে।
পরীক্ষাটি হবে মোট পাঁচ বিষয়ের ওপর। বাংলা, ইংরেজি ও প্রাথমিক গণিতে ১০০ নম্বর করে তিনটি পৃথক দিনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান একত্রে ১০০ নম্বরের প্রশ্নপত্রে এক দিনে পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রতিটি বিষয়ের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।
বার্ষিক পরীক্ষা ১ থেকে ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার পর, ২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বরের মধ্যে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট শ্রেণিশিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ার করেছে কর্তৃপক্ষ।