রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আজ সোমবার জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বিশেষ বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসন ও বৈষম্যমূলক অত্যাচারের বিরুদ্ধে এ গণঅভ্যুত্থান ছিল তরুণ প্রজন্ম ও সাধারণ জনতার এক ঐতিহাসিক প্রতিবাদ। দেশের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, দুর্নীতি, লুটপাট, গুম-খুন ও ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভের প্রকাশ ছিল এটি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল উদ্দেশ্য ছিল স্বৈরাচার দূর করে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জনগণের ক্ষমতায়ন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করা।” তিনি যোগ করেন, “এই গণঅভ্যুত্থান থেকে আমরা ফ্যাসিবাদ মুছে একটি ন্যায় ও সাম্যভিত্তিক, সুখী-সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়েছি।”
তিনি শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং আহত ও প্রতিবন্ধী যোদ্ধাদের ত্যাগ স্মরণ করেন। রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, “শহীদ পরিবার ও আহতদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের পবিত্র দায়িত্ব এবং এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্র অঙ্গীকারবদ্ধ।”
জাতীয় মুক্তিকামী ছাত্র-জনতাকে অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, “বৈষম্যমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র, শ্রমিক ও সাধারণ জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের ফলেই আজকের দিনটির বিজয় সম্ভব হয়েছে।”
বাণী পাঠানো হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের মাধ্যমে।