জানা গেছে, আবু মুসা নামে এক ঠিকাদার নবীউল্লাহর কাছে টাকা পান। সেই টাকা নেওয়ার জন্য ভোরে নবীউল্লাহর বাসায় যান। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে নবীউল্লাহ উত্তেজিত হয়ে আবু মুসাকে কুপিয়ে জখম করেন।
পরে আবু মুসা উত্তেজিত হয়ে নবীউল্লাহর স্ত্রী মৌসুমী আক্তারকে কুপিয়ে বাম হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করে দেন। তার মেয়ে দিয়া এগিয়ে এলে তাকেও কুপিয়ে জখম করেন। এরপর আরেক মেয়ে জয়া ও ছেলে মুয়াজকেও কুপিয়ে জখম করেন।
পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে দিয়াকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বাকি তিনজন চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় আবু মুসাও ঢাকা মেডিকেলে পুলিশি পাহারায় চিকিৎসাধীন।
নিহত দিয়া শেখ বোরহান উদ্দিন কলেজের শিক্ষার্থী।