দাউদকান্দি উপজেলার ৩ নং বারপাড়া ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান শাহনাজ আক্তার, তার নিজ বাড়ি চারপাড়া থেকে রাত ৯ টায় গ্রেফতার হন।দাউদকান্দির গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের( ইনচার্জ )ওসি মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে দাউদকান্দির গৌরীপুর বাজারে সুলতান হত্যা মামলার এজারভুক্ত আসামি বারপাড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহনাজ আক্তারকে গ্রেফতার করেছে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তারের ব্যাপারে নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা শ্রেষ্ঠ ওসি দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি জুনায়েত চৌধুরী। শাহানাজ আক্তার ঢাকা গুলশান থানা এবং এবং দাউদকান্দি শহীদ নগর জুলাই রিফাত ও বাবুব হত্যা মামলার এজাহার ভুক্ত আসামী। এবং শেখ হাসিনার সহ ৩১২ জন এর বিরুদ্ধে পেনাল কোডের বাড্ডা গুলশান থানায় ১৪৩ /১৪৩/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৭/১০৯/১১৪/ বিগত ২৬-৫-২৫ একটি মামলা রয়েছে। শাহনাজ বেগম ছিলেন ৩নং বারপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মহিলা মেম্বার।আওয়ামী লীগের আমলে বড় নেতাদের আশীর্বাদে দ্বিতীয় মেয়াদে মহিলা মেম্বার হন তিনি।
শেখ হাসিনা ভারতে পালানোর পর শাহনাজ বেগম ছিলেন কিছুদিন আত্ম গোপনে।আত্মগোপনে থেকে কিছু সুবিধা ভুগি নেতা এবং রাজনীতি বিতদের আশীর্বাদে বেশভূষণ পাল্টে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সত্যকে মিথ্যে আর মিথ্যে কে সত্য বানিয়ে,কিছু সুযোগ কাজে লাগিয়ে মেম্বার থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হয়ে যান! তা দেখে ৩ নং ইউনিয়নবাসী হতবাক হয়ে যান,আর জনমনে প্রশ্ন জাগে কিভাবে একাধিক মামলার আসামি এই শাহনাজ আক্তার ।
চেয়ারম্যানের দায়িত্ব হাতে পেয়ে যেন আলাদিনের চেরাগ পেয়েছিল,অনিয়ম অবিচার, দুর্নীতি যেন তার সূর্যের মতোই চকচকে ছিলো,টাকা ছাড়া বিধবা কার্ড,বয়স্ক ভাতা টাকা ছাড়া দুঃস্বপ্ন ছিল সবার কাছে।
এই কিছুদিনের অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছিল ৩ নং ইউনিয়নবাসী। একাধিকবার শাহনাজ বেগমের বিরুদ্ধে মানববন্ধন বিক্ষোভ মিছিল সহ নানান কর্মসূচি করেন এলাকাবাসী।
দাউদকান্দি উপজেলার সকল জুলাই যোদ্ধা ও ৩নং বারপাড়া ইউনিয়নের সকল মানুষের একটাই দাবি এই আসামি যাতে কোন ভাবেই যেন ছাড়া না পায় এবং তার সঠিক বিচার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে এলাকাবাসী এবং দাউদকান্দি উপজেলার সকল জুলাই যোদ্ধারা