শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা)
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল
দেশজুড়ে চলমান তীব্র তাপদাহের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে খুলনার ডুমুরিয়ায় পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং। দিনে এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকলে পরবর্তী দেড় ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে ডুমুরিয়াবাসীকে।
ঘন ঘন এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা এখন চরম দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে। প্রচণ্ড গরমে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে হিট স্ট্রোক ও ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বাড়ছে। হাসপাতালগুলোতে জরুরি চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হওয়ায় ভোগান্তি চরমে।
বর্তমানে ইরি-বোরো ও রবি শস্যের ভরা মৌসুম। সেচ পাম্পগুলো সময়মতো চালাতে না পারায় ফসলের ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষকরা।
চলমান তাপদাহে দিনে পড়ালেখা করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। তার ওপর রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতি মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।
বিদ্যুৎ সংকটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি কলকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। জেনারেটর ব্যবহারের চেষ্টা করলেও পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের তীব্র সংকটের কারণে সেটিও সম্ভব হচ্ছে না।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত গ্যাস ও কয়লার অভাব এবং গরমের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা সক্ষমতার চেয়ে অনেক বেড়ে যাওয়াই এই সংকটের মূল কারণ। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ডুমুরিয়ার কৃষি ও শিক্ষা ব্যবস্থায় অপূরণীয় ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।