নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেছেন, এই উদ্যোগ কেবল ব্যবসায়িক পরিসরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি জনকল্যাণভিত্তিক সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের উন্নত চিকিৎসা দক্ষতা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। এ বাস্তবতাকে সামনে রেখে এই উদ্যোগ দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান বিনিময় এবং প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্বের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
এদিকে, সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের ভারত সফরের সময় তার সঙ্গে বৈঠকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার আশ্বাস দেন। তিনি জানান, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বিশেষ করে চিকিৎসা ও ব্যবসায়ী ভিসার ক্ষেত্রে এই সুবিধা কার্যকর করা হবে। একইসঙ্গে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খুব শিগগিরই বাংলাদেশিদের জন্য চিকিৎসা ভিসা চালু বা সহজীকরণ করা হতে পারে, যা দীর্ঘদিনের জটিলতা কমাতে সহায়ক হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা কার্যক্রম সীমিত করেছিল ভারত। এখনো তা পুরোপুরি স্বাভাবিক না হলেও সাম্প্রতিক এই উদ্যোগ দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।