আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
চলমান সংঘাত বন্ধে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে ইরান। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই একটি সংশোধিত শান্তি প্রস্তাব উপস্থাপন করতে পারে তেহরান—এমনটাই আশা করছেন সংশ্লিষ্ট মধ্যস্থতাকারীরা।
মধ্যস্থতায় যুক্ত পাকিস্তান-এর কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের আগের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পরই এই নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে নতুন করে সমঝোতার পথ খোঁজার চেষ্টা চলছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম CNN জানিয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রাশিয়া সফর শেষে আজই তেহরানে ফিরছেন। সেখানে তিনি দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করে পরবর্তী কৌশল নির্ধারণ করবেন।
তবে কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি-এর অবস্থান গোপন রাখা এবং তার সঙ্গে যোগাযোগে জটিলতার কারণে আলোচনার গতি কিছুটা ধীর হয়ে পড়েছে।
এর আগে গত সপ্তাহে ইরান একটি প্রস্তাব দিয়েছিল, যেখানে প্রথমে যুদ্ধবিরতি এবং পরে পারমাণবিক কর্মসূচিসহ জটিল বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার কথা বলা হয়। কিন্তু সেই প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, যা কূটনৈতিক অগ্রগতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত পরিবর্তনশীল হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্র গ্রহণ করতে পারে—এমন একটি কার্যকর ও টেকসই প্রস্তাব ইরান দিতে পারবে কি না, তার ওপরই নির্ভর করছে শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ।
এদিকে মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান বর্তমানে একটি ‘ভঙ্গুর পরিস্থিতির’ মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, তেহরান হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত রাখতে আগ্রহী এবং একই সঙ্গে তাদের অভ্যন্তরীণ নেতৃত্ব সংকট সমাধানের চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে।