আদালতে প্রীতি জিনতা অভিযোগ করেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে নিখুঁতভাবে তৈরি করা এসব ভুয়া ছবি ও ভিডিওর কারণে সমাজে তার ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এই প্রযুক্তির অনৈতিক ব্যবহারের ফলে তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার ও কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে।
১৯৫৭ সালের কপিরাইট আইন অনুযায়ী নিজের নৈতিক অধিকার রক্ষার দাবিও জানান তিনি। বিচারপতি অভয় আহুজার একক বেঞ্চ এই অভিযোগ আমলে নিয়েছেন এবং প্রীতি জিনতাকে ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষায় সুনির্দিষ্টভাবে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন।
প্রযুক্তির এমন অপব্যবহারের বিরুদ্ধে বলিউডে এটিই প্রথম আইনি পদক্ষেপ নয়। এর আগে অমিতাভ বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনসহ একাধিক তারকা অভিনেতা-অভিনেত্রী তাদের অনুমতি ছাড়া ছবি, নাম ও কণ্ঠস্বর ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।