• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিলেটে শাহজালাল ও শাহপরানের মাজার জিয়ারত রাষ্ট্রপতির পত্নীতলায় ৮০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার কাদেরসহ পাঁচজনের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত,পাবে জুলাই শহিদ-আহতদের পরিবার ইরান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে গোলাবারুদের ঘাটতি দেখা দিয়েছে: সামরিক বাহিনী আওয়ামী লীগের ৭ নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদের-আরাফাতসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের সাপ্তাহিক মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত গোমস্তাপুরে ৪৭ বোতল চোলাই মদসহ দুইজন আটক সাচারে গনেশ পূজা উপলক্ষে আনন্দ রেলি ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে একই অভিযোগে বারবার জরিমানা, তবুও বদলায়নি রহমানিয়া পাম্প

মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে’, স্বামীর বিরুদ্ধে নারীর অভিযোগ

আব্দুল্লাহ আল মামুন পিন্টু,স্টাফ রিপোর্টারঃ / ১৯ বার
আপডেট : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, প্রতারণা, মালামাল আটকে রাখা এবং হুমকির অভিযোগ করেছেন সোনিয়া আক্তার নামের এক নারী। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি।

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের বটতলায় প্রিন্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশনের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন সোনিয়া আক্তার।

সোনিয়া টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পশ্চিমপাড়া এলাকার নজরুল মিয়ার মেয়ে। তার স্বামী শাহিন মিয়া দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের চন্ডী এলাকার ছানোয়ার হোসেনের ছেলে।

লিখিত বক্তব্যে সোনিয়া আক্তার অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ি, স্বামীর বোনসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য বিভিন্ন সময় তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছেন। একপর্যায়ে তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়।

তিনি দাবি করেন, শ্বশুরবাড়িতে তার প্রায় তিন লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল রয়েছে। এর মধ্যে ল্যাপটপ, মুঠোফোনসহ ব্যক্তিগত সামগ্রীর মূল্য প্রায় এক লাখ টাকা এবং নগদ ৫০ হাজার টাকা রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার অর্থ ও মালামাল সেখানে রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

দেনমোহর নিয়েও প্রতারণার অভিযোগ করেন সোনিয়া। তার দাবি, বিয়ের সময় দেনমোহর তিন লাখ টাকা নির্ধারণের কথা থাকলেও পরবর্তীতে কাবিননামা হাতে পাওয়ার পর সেখানে ৩০ হাজার টাকা লেখা দেখতে পান। কাজি ও স্বামীর পরিবারের লোকজনের যোগসাজশে দেনমোহরের পরিমাণ কম দেখিয়ে তার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ ছাড়া তার স্বামী বিভিন্ন নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িত ছিলেন বলেও অভিযোগ করেন সোনিয়া। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করায় তাকে গালিগালাজ ও মারধর করা হতো বলে দাবি করেন তিনি। পরে স্বামীর পরিবারের অন্য সদস্যরাও তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সোনিয়া আক্তার জানান, এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে সোনিয়া আক্তার বলেন, ‘আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমার অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরে ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা চাই।’

অভিযোগ অস্বীকার স্বামীরসোনিয়া আক্তারের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তার স্বামী শাহিন মিয়া। তিনি দাবি করেন, মুঠোফোনে কথা বলার একপর্যায়ে সোনিয়াকে জোরপূর্বক বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়। পরে তিনি জানতে পারেন, সোনিয়ার এর আগে আরও তিনটি বিয়ে হয়েছিল।

শাহিন মিয়া বলেন, ‘আমরা তাকে কোনো ধরনের নির্যাতন করিনি। সে আমাকে না জানিয়েই নিজে বাড়ি থেকে চলে যায়। পরে আমি তাকে ডিভোর্স দিয়েছি।’
তবে সোনিয়া আক্তারের করা অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও

ফেসবুকে আমরা